মিজানুর রহমান,লালমনিরহাট প্রতিনিধি।।
লালমনিরহাট জেলার বুড়িমারি স্থল বন্দর কতৃপক্ষ বন্দর চার্জ দ্বিগুণ করায়,ক্ষুদ্ধ ট্রাক চালক,আমদানি-রপ্তানি কারক ব্যাবসায়ীগন বন্দর অবরোধ করেন,ফলে বুড়িমারি বন্দরের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়।
শনিবার ২২শে আগষ্ট দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শুল্ক স্থল বন্দর বুড়িমারিতে,কাষ্টমস ইয়ার্ড পানামায় পন্য খালাস ও ওঠানামার চার্জ তিনশত টাকার পরিবর্তে ছয়শত টাকা নির্ধারণ করে,এতে ক্ষুদ্ধ হয়ে বেলা বারোটার দিকে বন্দরে উপস্থিত লোড আনলোডের জন্য অপেক্ষামান ট্রাক চালক গন পন্য উঠা নামা বন্ধ করে বন্দর কার্যক্রম অবরোধ করে,ফলে বুড়িমারি স্থল বন্দর কার্যত অচল হয়ে পড়ে, শত শত ট্রাক বুড়িমারি বন্দর এলাকার আশেপাশে সড়ক অচল কর দাঁড়িয়ে থাকে।এতে বন্দরের স্বাভাবিক কার্য্যক্রমের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষ সড়কে চলাচলে সমস্যায় পড়ে।
বুড়িমারি স্থল বন্দরের আমদানি রপ্তানিকারক ব্যাবসায়ী বন্ধু ট্রেডার্স এর কর্নধার সামীম খান জানান বন্দরে পন্য ওঠানামার জন্য পানামা ইয়ার্ডের ট্রাক প্রতি চার্জ ১৯৯টাকা,তথাপি আমরা ৩০০/= টাকা হারে এতদিন দিয়ে আসছি,পূর্ব ঘোষনা না দিয়ে বন্দর কতৃপক্ষ হঠাৎ আজকে ছয়শত টাকা চার্জ নির্ধারণ করে আদায় করার প্রতিবাদে ট্রাক চালক, আমদানি- রপ্তানি কারক সকল ব্যাবসায়ীরা বন্দরে মাল উঠা নামা আমরা বন্ধ রেখেছি।
বুড়িমারি স্থল বন্দর আমদানি- রপ্তানি কারক এসো- সিয়েশন সভাপতি রুহুল আমিন বাবুল জানান কাষ্টমস ইয়ার্ডের পন্য উঠা নামার চার্জ নির্ধারণ নিয়ে ব্যাবসায়ীদের সাথে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে,আমরা বসে এটা সুরাহা করে ফেলেছি ইতিমধ্যে।
বুড়িমারি স্থল বন্দরের বন্দর কতৃপক্ষ সাহিন আলম জানান পানামা ইয়ার্ডের চার্জ বৃদ্ধি করা হয়নি,যারা ইয়ার্ডে দীর্ঘ সময় জটলা করে পন্য খালাস উঠা নামা করেন তাদের কাজে গতি আনতে এবং ইয়ার্ডে জটলা কমাতে জরিমানার কথা বলা হয়েছে যাতে বন্দরের কাজে গতি আসে।বন্দরের চার্জ বৃদ্ধি করলে অবশ্যই তা সকল পক্ষের সাথে আলোচনা করে করা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: সফিকুল ইসলাম
লিটন মঞ্জিল, ভোলা-বরিশাল সড়ক, লক্ষ্মীপুর।
ফোন: +৮৮ ০১৭১২ ৯৭ ৫৬ ০৫,
ই-মেইল: nagorikkagoj@gmail.com
Copyright © 2026 Nagorik Kagoj. All rights reserved.