প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ১, ২০২৬, ৯:২৯ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০, ৫:৪৫ এ.এম
পিঁয়াজের আর সংকট হবে না

সাজ্জাদ হোসেন চৌধুরী ।।
আমদানির অনুমতি সংগ্রহে রেকর্ড করা। অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে ভারতের নাটকিও পিঁয়াজ রপ্তানির বন্ধ হওয়ায় দাম বেড়েছে দিগুন রো বেশী। চরম বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ী ও ক্রেতাসাধারণ। সম্প্রতি তুরস্ক দাড়িয়েছে বাংলাদেশের পাশে এব়ং ৬ লাখ টন পিঁয়াজ আসছে সমুদ্র পথে।
আমাদের দেশ নিরভর্শীল ভারত কয়েকদিন আগে হঠাৎ করে ঘোষণা ছাড়াই পিঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। এতে আকষ্মিক বিপাকে পড়ে যায় বাংলাদেশ। তাই ব্যয়সায়ীরা পিঁয়াজের জন্য ভারতের বিকল্প খুঁজতে থাকেন ব্যবসায়ীরা চীন,তুরস্ক,মিসর পাকিস্তান,মিয়ানমার ও নেদারল্যান্ডসহ কয়েকটি দেশ থেকে পিঁয়াজ আমদানির অনুমতি নেন।
এরই মধ্যে ভারতের বিকল্প দেশগুলো থেকে পৌনে ছয় লাখ টন পিঁয়াজ আমদানির অনুমতি নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চলতি মাসের প্রথম ২০ দিনে এসব পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি নেন তারা। এত কম সময়ে বিকল্প দেশ থেকে পিঁয়াজ আমদানির অনুমতি সংগ্রহে এটি রেকর্ড করা।
আগামী মাসের শুরু থেকে এসব পিঁয়াজ চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে আমদানি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে।
এছাড়াও ব্যবসায়ীরা মিয়ানমার,পাকিস্তান, চীন, মিশর, নেদারল্যান্ডস,তুরস্ক ও নিউজিল্যান্ডের মতো দেশগুলো থেকে পিঁয়াজ আমদানির ঋণপত্র খুলেছেন। ঋণপত্র খোলার পর এসব পিঁয়াজ কনটেইনার বাহী জাহাজে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কনটেইনারে করে সমুদ্রপথে আনা হবে চট্টগ্রাম বন্দরে।
পিঁয়াজ মতো কৃষিপণ্য আমদানির ক্ষেত্রে প্রথমে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্র থেকে আমদানির অনুমতি নিতে হয়। এটি কৃষিপণ্য আমদানির প্রাথমিক ধাপ। এই অনুমতি নেওয়ার আগে ব্যবসায়ীরা রপ্তানিকারক দেশের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি করেন। আর অনুমতি নেওয়ার পর ব্যাংকে ঋণপত্র খোলা হয়।
আমদানির অনুমতি নেওয়া হলে ও সব পণ্য দেশে আসার নিশ্চয়তা নেই। জাহাজে পণ্য ওঠানোর পরই মূলত নিশ্চিত হওয়া যায় আমদানি পণ্য দেশে আসছে কিনা।
ঢাকার অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংগনিরোধ কেন্দ্রের পরিচালক কৃষিবিদ মো. আজহার আলী বলেন, যে পরিমাণ পিঁয়াজ আমদানির অনুমতি নেওয়া হয়েছে তা রেকর্ড। এই পেঁয়াজ আমদানি হলে বাজারে কোনো সংকট থাকবে না।
ব্যবসায়ীরা জানান, দেশে এখন যে পরিমাণ পিঁয়াজ মজুদ আছে, তাতে এ মাসে পেঁয়াজের আর সংকট হবে না। পিঁয়াজ সংকট শুরু হওয়ার আগে আগামী মাসের শুরুতে বন্দরে পৌঁছাতে শুরু করবে বিকল্প দেশের পিঁয়াজ। ভারত রপ্তানি বন্ধ রাখলে ও বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহে ঘাটতি হবে না বলে মনে করেন ব্যবসায়ীরা।
এবার পিঁয়াজ আমদানিতে বিপুল সংখ্যক ব্যবসায়ী যুক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ছোট ব্যবসায়ীদের সংখ্যা বেশি। বড়দের মধ্যে চট্টগ্রামের এস আলম গ্রুপ নেদারল্যান্ডস থেকে এক চালানে ২২ হাজার টন পিঁয়াজ আমদানির অনুমতি সংগ্রহ করেছে। এস আলম গ্রুপের জ্যেষ্ঠ মহাব্যবস্থাপক কাজী সালাহউদ্দিন আহাম্মদ বলেন, নেদারল্যান্ডস থেকে দ্রুততম সময়ে এই পিঁয়াজ আমদানির চেষ্টা চলছে। এটা মাত্র শুরু বলা যায়। পর্যায়ক্রমে আমদানির পরিমাণ বাড়ানো হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: সফিকুল ইসলাম
লিটন মঞ্জিল, ভোলা-বরিশাল সড়ক, লক্ষ্মীপুর।
ফোন: +৮৮ ০১৭১২ ৯৭ ৫৬ ০৫,
ই-মেইল: nagorikkagoj@gmail.com
Copyright © 2026 Nagorik Kagoj. All rights reserved.