অনলাইন ডেস্ক ।।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে মনিরুল ইসলাম ওরফে গোল্ডেন মনির ও তার স্ত্রী রওশন আক্তারের অবৈধ সম্পদের প্রাথমিক প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায় সম্পদ বিবরণী নোটিশ জারির সুপারিশ করে প্রতিবেদন কমিশনে জমা দিয়েছেন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা উপপরিচালক সামছুল আলম।
দুদকের বিধি অনুযায়ী, প্রাথমিকভাবে কারো অবৈধ সম্পদের প্রমাণ মিললে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা অভিযুক্ত ব্যক্তির স্থাবর অস্থাবর সম্পদের হিসাব জমা দিতে কমিশনে সুপারিশ করেন। এরপর পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধানে যদি অবৈধ সম্পদের বিস্তারিত প্রমাণ মেলে তাহলে মামলা করবে দুদক।
বর্তমানে রিমান্ডে থাকা ব্যবসায়ী গোল্ডেন মনিরকে শুক্রবার দিবাগত রাতে অবৈধ অস্ত্র ও মাদকসহ গ্রেফতার করে র্যাব।
গ্রেফতারের পর অবৈধ অস্ত্র ও মাদক রাখায় রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় গাড়ি ও স্বর্ণ ব্যবসায়ী গ্রেফতার মনিরুল ইসলাম ওরফে গোল্ডেন মনিরের বিরুদ্ধে দুটি পৃথক মামলা হয়। সেই সঙ্গে বিদেশি বিভিন্ন দেশের মুদ্রা রাখায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে আরেকটি মামলা হয়েছে। এ তিন মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে গোল্ডেন মনিরকে বাড্ডা থানায় সোপর্দ করা হয়। পরে রবিবার অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের পৃথক দুই মামলায় গাড়ি ও স্বর্ণ ব্যবসায়ী মো. মনির হোসেন ওরফে গোল্ডেন মনিরের ১৪ দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত।
উল্লেখ্য, শুক্রবার দিবাগত রাতে মেরুল বাড্ডায় মনির হোসেনের বাড়িতে অভিযান চালায় র্যাব। ছয় তলা বিলাসবহুল ওই বাড়ি থেকে নগদ ১ কোটি ৯ লাখ টাকা, এছাড়া ৯ লাখ টাকা মূল্যমানের ১০টি দেশের বৈদেশিক মুদ্রা, চার লিটার মদ, ৮ কেজি স্বর্ণ, একটি বিদেশি পিস্তল এবং কয়েক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
এ সময় র্যাব-৩ এর অপস অফিসার সহকারী পুলিশ সুপার ফারজানা হক গণমাধ্যমকে জানান, ছয়তলা বাড়ির তিনটি ফ্লোর নিয়ে গোল্ডেন মনির নামে পরিচিত এই ব্যবসায়ী থাকেন, বাকি তিনটি ফ্লোর খালি। অভিযানে বিপুল পরিমাণ টাকা, অস্ত্র এবং স্বর্ণালঙ্কার পেয়েছে র্যাব। চারটি গাড়ি পাওয়া গেছে, যার মধ্যে তিনটি গাড়ির বৈধ কাগজপত্র নেই। যে পরিমাণ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে, তা গণনা করা হচ্ছে। স্বর্ণালঙ্কারগুলো ব্যবহৃত। সবকিছু যাচাই বাছাই করা হচ্ছে।
অপরদিকে মনির হোসেনের স্ত্রী রওশন আক্তারের নামে দুদকের অনুসন্ধানে তিন কোটি ৭৫ লাখ ৯২ হাজার ২৯৩ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে। দুদকের অনুসন্ধানে পাওয়া যায়, তিনি একজন গৃহিনী। তার এসব সম্পদ অর্জনের কোনো বৈধ উৎস নেই। ২০১৬ সালের পরে এসব সম্পদ অবৈধভাবে অর্জন করেছেন বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে প্রমাণ পাওয়া গেছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: সফিকুল ইসলাম
লিটন মঞ্জিল, ভোলা-বরিশাল সড়ক, লক্ষ্মীপুর।
ফোন: +৮৮ ০১৭১২ ৯৭ ৫৬ ০৫,
ই-মেইল: nagorikkagoj@gmail.com
Copyright © 2026 Nagorik Kagoj. All rights reserved.