সৌদিতে বাস দূর্ঘটায় নিহত চাটখিলের হেলালের বাড়িতে শোকের মাতন

চাটখিল(নোয়াখালী)প্রতিনিধি:
সৌদি আরবের আল-আসির থেকে ওমরাহ’র পালনের উদ্দেশ্যে মক্কায় যাওয়ার পথে বাস দূর্ঘনায় নিহত চাটখিলের হেলালের বাড়িতে শোকের মাতন চলছে।
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হেলাল নোয়াখালীর চাটখিলের রামনারায়নপুর ভূঁইয়া বাড়ির মৃত হুমায়ুন কবিরের বড় ছেলে।
মঙ্গলবার (৬-ই রমজান,২০২৩ইং) সৌদি আরবের আল-আসির প্রদেশ থেকে ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে মক্কার মুকাররমায় আসার পথে দূর্ঘটনার শিকার হয় হজ্বযাত্রী বহন করা একটি বাস। এতে নিহত হওয়া ২০ জন যাত্রীর মধ্যে ৮ জনের লাশ শনাক্ত করেছে দেশটির পুলিশ। নিহতরা হলেন, নোয়াখালী চাটখিলের রামনারায়নপুর ভূঁইয়া বাড়ির মৃত হুমায়ুন কবিরের বড় ছেলে হেলাল হোসেন, সেনবাগ উপজেলার শরীয়ত উল্ল্যার ছেলে শহিদুল ইসলাম, কুমিল্লা মুরাদ নগরের আব্দুল আওয়াল এর ছেলে মামুন মিয়া, লক্ষীপুরের সবুজ হোসাইন, মুরাদনগরের রাসেল মিয়া, কক্সবাজার মহেশখালীর আসিফ হোসেন, গাজীপুরের ইসমাইল হোসেন রনি, চাঁদপুরের রুক মিয়া।
হেলাল উদ্দিনের ছোট ভাই মো. রিপন জানান,প্রায় ১ বছর আগে জীবিকা নির্বাহের তাগিদে সৌদি আরবে যান মো.হেলাল হোসেন। সেখানে তিনি একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। হেলালের কর্মরত কোম্পানি থেকে ওমরা করার জন্য ৪ জন এক সঙ্গে মক্কা নগরীর উদ্দেশে রওনা হলে সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ জনই মারা যান। ২ ভাই আর ২ বোনের মধ্যে বড় ছিলেন হেলাল হোসেন। হাজাবি নামে তিন বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তানও রয়েছে তার।
৮ বাংলাদেশি ছাড়াও নিহতদের মধ্যে একজন মিশরীয়, একজন ইয়েমেনি ও একজন সুদানের নাগরিক রয়েছেন।
বাসে থাকা ৪৭ জন যাত্রীর মধ্যে ১৮ জনকে গুরুতর অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছে ৭-৮ জন বাংলাদেশি।
দুর্ঘটনার খবরে সৌদি বেসামরিক প্রতিরক্ষা ও রেড ক্রিসেন্ট কর্তৃপক্ষের দল দুর্ঘটনাস্থলে ছুটে যায় এবং এলাকাটি ঘিরে ফেলে। আহতদের দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সৌদি কর্তৃপক্ষ নিহত ও আহতদের পরিচয় এখনও প্রকাশ করেনি।