চাটখিল (নোয়াখালী) প্রতিনিধি : চাটখিলে বিভিন্ন পরিবারের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে আদম ব্যবসায়ী উধাও হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
ভোক্তভোগী পরিবারগুলো জানায় চাটখিল উপজেলা মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের পরানপুর গ্রামের বড় ভূঁইয়া বাড়ীর শাহ আলম ভূঁইয়া ও তার ছেলে রাজু ভূঁইয়া তাদেরকে বলে, শাহ আলম ভূঁইয়ার বড় ছেলে রাশেদ আলম ভুঁইয়া আমেরিকার অঙ্গরাজ্য পালাও নামক দেশে থাকে। অন্যান্য সুযোগ সুবিধা সহ প্রতি মাসে ১ হাজার ডলার বেতন পায় এবং আরও যে, তাদের কাছে হোটেলের কাজের কিছু ভিসা আছে বেতন পাবে ১ হাজার ডলার এবং অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দিবে প্রলোভন দেখিয়ে নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলার পরানপুর গ্রামের মো: রিপন (৩৫), কুলশ্রী গ্রামের মাহবুব আলম (৩৫), মলংমুড়ী গ্রামের জামাল হোসেন (৩০), মোহাম্মদপুর গ্রামের মিঠু হাছান (৩০), মেহেদী হাছান (৩২), সোনাইমুড়ী উপজেলার মাহুতলা গ্রামের জাবেদ আলম (২৫), সুফিয়ান (৩৫), ইসমাইল হোসেন (৩৫), বাংলাবাজারের নোমান হোসেন (৩০), ভাওরকোট গ্রামের সাইফুল স্বর্ণকার (৩৬), তাহের স্বর্ণকার (৪০), কুমিল্লা জেলার মনহরগঞ্জ উপজেলার সরসপুর গ্রামের শাহাদাত হোসেন (২৬), সাইফুল ইসলাম (৩৫) পরিবারের কাছ থেকে ৫ লক্ষ/ ৬ লক্ষ টাকা করে বিভিন্ন অংকে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়।
ভুক্তভোগী জাবেদ এর ভাই জসিম জানায়,এদের মধ্যে শাহদাত হোসেন (২৬), জাবেদ আলম (২৫), ইসমাইল হোসেন (৩৫), মো: রিপন (৩৫), মাহবুব আলম (৩৫), মনির হোসেন (২৮), নোমান হোসেন (৩০), জামাল হোসেন (৩০) ও রাজু(৩০) কে পালাও দীপে নেওয়ার ৩ দিন পর শাহ আলম ভূঁইয়ার বড় ছেলে পালাওতে অবস্থানরত রাশেদ আলম ভূঁইয়া পালাও দীপে নেওয়া ব্যক্তিদের ভিসা লাগানো কাগজপত্র না করে কোন প্রকার কাজ না দিয়ে গোপনে পালিয়ে বাংলাদেশে চলে আসে। রাশেদ আলম পালাও থেকে আসার পর থেকে শাহ আলম ভূঁইয়ার পরিবারের অন্যান্য লোকসহ আত্মগোপনে চলে যায়। প্রতারিত হয়ে পালাও নামক স্থানে যাওয়া ব্যক্তিরা জানায় তাদের ভিসা লাগিয়ে না দেওয়ায় ও কাজ না থাকায় তারা থাকা খাওয়ায় অনেক কষ্ট পাচ্ছে। এ বিষয়ে জানার জন্য শাহ আলম ভূঁইয়ার মোবাইলে বার বার ফোন দিয়ে তাহা বন্ধ পাওয়া যায়।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: সফিকুল ইসলাম
লিটন মঞ্জিল, ভোলা-বরিশাল সড়ক, লক্ষ্মীপুর।
ফোন: +৮৮ ০১৭১২ ৯৭ ৫৬ ০৫,
ই-মেইল: nagorikkagoj@gmail.com
Copyright © 2026 Nagorik Kagoj. All rights reserved.