অনলাইন ডেস্ক:
বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে রাখা স্বর্ণ নিয়ে অনিয়মের খবর যেভাবে প্রকাশিত হয়েছে এটা পুরোপুরি সত্য নয়। বাংলাদেশ ব্যাংক ও এনবিআরের মধ্যে যোগাযোগ ঘাটতিতেই এই সঙ্কট। তবে আমরা বিষয়টিকে ছোট করে দেখছি না। পর্যালোচনা করে কারো বিরুদ্ধে গাফিলতির প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে বরে জানিয়েছেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান।
বুধবার(১৮জুলাই,১৮) সচিবালয়ে অর্থ প্রতিমন্ত্রীর নিজ দপ্তরে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে রাখা স্বর্ণ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ ওঠার প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ গভর্নর ফজলে কবির ও সংশ্লিষ্ঠদের সঙ্গে বৈঠক করে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা বিষয়টি পর্যালোচনা করছি। আরও পর্যালোচনা করে দেখব। যদি কারও কোনো গাফিলতি থাকে তাহলে নিশ্চই তার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। শুল্ক গোয়েন্দা বিভাগের দেয়া স্বর্ণ জমা রাখার সময় ৪০ শতাংশই ছিল। কিন্তু ইংরেজি-বাংলার হেরফেরে সেটা ৮০ শতাংশ লিখে ভুলবশত নথিভুক্ত করা হয়েছিল। ৮০ এবং ৪০-এ ক্লারিক্যাল মিস্টেক হয়েছে। তিনি বলেন, ছয় স্তরের নিরাপত্তা আছে, কোনো স্বর্ণ বাইরে যায় নাই। জনগণের সম্পদ রক্ষায় সরকার বদ্ধপরিকর। তাই টোটাল নিরাপত্তা সিস্টেমটা পর্যালোচনা করে ঢেলে সাজানো হবে। এ ক্ষেত্রে অন্য কোনো সংস্থা দিয়ে পর্যবেক্ষণ করা যেতে পারে।
অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বিদেশে অবস্থান করায় প্রতিমন্ত্রী বুধবার জরুরি এই বৈঠক ডাকেন। বৈঠকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. ইউনুসুর রহমান, শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শহিদুল ইসলাম, এনবিআরের সদস্য কালিপদ হালদারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে মঙ্গলবার একটি দৈনিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে ভুতুড়ে কাণ্ড শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশের এক জরুরি সংবাদ সম্মেলন করেন বাংলাদেশ ব্যাংক কর্মকর্তারা। সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক এস এম রবিউল হাসান বলেন, দেশের একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত একটি সংবাদে বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টে রক্ষিত সোনার পরিমাপ নিয়ে যে তথ্য প্রকাশিত হয়েছে তা সঠিক নয়। বস্তুনিষ্ঠ নয়।
সূত্র:কালের কন্ঠ
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: সফিকুল ইসলাম
লিটন মঞ্জিল, ভোলা-বরিশাল সড়ক, লক্ষ্মীপুর।
ফোন: +৮৮ ০১৭১২ ৯৭ ৫৬ ০৫,
ই-মেইল: nagorikkagoj@gmail.com
Copyright © 2026 Nagorik Kagoj. All rights reserved.