বানিয়াচং (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি।।
কোভিড-১৯ (করোনা ভাইরাস) এর কারনে সারা বিশ্ব আজ বিপর্যস্ত। বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশে প্রতি দিনই করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সচেতনতার অভাবে সংক্রমণ এর হার বৃদ্ধি পাচ্ছে। হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলা ও এর বাহিরে নয়।
ঈদুল ফিতর কে সামনে রেখে বানিয়াচং এ বিভিন্ন দোকান পাট খোলা রয়েছে। সরকার ঘোষিত স্বাস্থ্য বিধি না মেনে চলছে ঈদের কেনাকাটা। ঈদ কেনাকাটায় ক্রেতা ও বিক্রেতা কেউ সামাজিক দূরত্ব মেনে চলছে না।ফলে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখা দিচ্ছে।
বুধবার বানিয়াচং উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মোঃ মামুন খন্দকার এর নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে দোকানে বেচাকেনার জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কে অর্থদণ্ড করে।এরই ধারাবাহিকতায় আজ ২১ শে মে বৃহস্পতিবার উপজেলা প্রশাসন এর পক্ষ থেকে বানিয়াচং উপজেলার সকল ধরনের কাপড় ও জুতার দোকানে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে ও লোকসমাগম ঠেকাতে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।
বানিয়াচং উপজেলার মানুষকে সচেতন করতে ও ঘরে রাখতে উপজেলা প্রশাসন এই পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
২১ শে মে বৃহস্পতিবার বানিয়াচং উপজেলার বড় বাজারে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায় যে দুপুর বেলা কাপড় ও জুতার দোকান গুলোতে মানুষের উপচে পড়া ভিড় ছিল।উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সকাল থেকে বানিয়াচং এর বাজার গুলোতে নিরাপদ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে এবং লোকসমাগম ঠেকাতে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
যখনি প্রশাসনের লোক জন চলে যাচ্ছে তার কিছুক্ষণ পরেই আবার নিরাপদ সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে দোকানে বেচাকেনা চলছে। প্রশাসন এর চোখ কে ফাঁকি দিয়ে এভাবেই চলছে ঈদের কেনাকাটা।
এভাবে চলতে থাকলে করোনা ঝুঁকি থেকে বানিয়াচং উপজেলা রক্ষা পাবে না।আমরা নিজেরাই সচেতন না হবার কারনে এবং নিরাপদ সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে করোনা সংক্রমণ এর ঝুঁকি বাড়াচ্ছি। নিজেদের সুরক্ষার কথা চিন্তা করে এবং নিজেদের পরিবার কে সুরক্ষিত রাখতে আসুন আমরা সবাই ঘরে থাকি।তাহলেই আমরা করোনা ঝুঁকি থেকে নিরাপদ।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: সফিকুল ইসলাম
লিটন মঞ্জিল, ভোলা-বরিশাল সড়ক, লক্ষ্মীপুর।
ফোন: +৮৮ ০১৭১২ ৯৭ ৫৬ ০৫,
ই-মেইল: nagorikkagoj@gmail.com
Copyright © 2026 Nagorik Kagoj. All rights reserved.