মিজানুর রহমান,লালমনিরহাট প্রতিনিধি।।
লালমনিরহাট তিস্তা নদীর ভাঙনে গত এক সপ্তাহে পঞ্চাশটি বসত বাড়ি সহ ফসলে জমি তলিয়ে গেছে নদী গর্ভে।নদী ভাঙনের পাশাপাশি পাহাড়ি ঢল ও বৃষ্টির পানিতে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যার আশংকা দেখা দিয়েছে তিস্তা পারে।
লালমনিরহাট সদর উপজেলার গোকুন্ডা ইউনিয়ন তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায়,চর গোকুন্ডায় নদী ভাঙনে একদিনে বিশটি বসত বাড়ি নদীতে তলিয়ে গেছে।গত এক সপ্তাহে গোকুন্ডা ইউনিয়নের চর গোকুন্ডায় একে একে পঞ্চাশটি বাড়ি ও ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে।সেখানকার মানুষ বাড়ি ঘর হারিয়ে খোলা আকাশের নীচে অবস্থান করছেন।
নদীর ভাঙনের কবলে পড়ে পঞ্চাশটি পরিবারে কয়েক শত মানুষ অন্যের জমিতে আশ্রয় নিয়েছে। নতুন করে ভাঙনের আশংকায় নদীর পারের পাঁচশতাধিক মানুষ আতংকে দিন কাটাচ্ছেন। ইতিমধ্যে অনেকেই ভাঙন থেকে রক্ষা পেতে বাড়ীর বড় বড় গাছ,বাঁশ কেটে বসত বাড়ি সরিয়ে অন্যের জমিতে আশ্রয় নিতে প্রস্তুত হচ্ছেন।অথচ দুদিন আগে এই মানুষগুলোর কয়েকশত বিঘা ফসলি জমি, বসত বাড়ি সবই ছিল।ভাঙন কবলিত চর গোকুন্ডায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেল বসত বাড়ি ভেঙে পরিবার নিয়ে খোলা আকাশের নীচে থাকা পরিবার গুলোর মাঝে আতংক বিরাজ করছে কোথায় যাবে কি করবে এনিয়ে।
ভাঙনের খবর পেয়ে ছুটে যান লালমনিরহাট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সুজন।সেখান কার অসহায় মানুষের সাথে কথা বলে তাদের পুর্নবাসন করতে আশ্বস্ত করেন।সুজন ভাঙন কবলিত পঞ্চাশটি পরিবারের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরন করেন।
রবিবার( ২৮জুন) লালমনিরহাট জেলা প্রশাসক আবু জাফর আহমেদ,লালমনিরহাট সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম কুমার রায় নদী ভাঙন কবলিত চর গোকুন্ডায় সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।এ সময় নদী ভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণে ভুক্তভোগীরা জেলা প্রশাসকের কাছে দাবী রাখেন।আবু জাফর আহমেদ প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা গ্রহণে আশ্বস্ত করেন।
এদিকে নদী ভাঙন কবলিত ভুক্তভোগীরা অনেকে অভিযোগ করেন নদীর বাঁধ নির্মানে, ভাঙন কবলিত এলাকায় শুষ্ক মৌসুমে ড্রেজার মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলনের ফলে সেখানে গভীর গর্ত সৃষ্টি হওয়ায় নতুন করে এই ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: সফিকুল ইসলাম
লিটন মঞ্জিল, ভোলা-বরিশাল সড়ক, লক্ষ্মীপুর।
ফোন: +৮৮ ০১৭১২ ৯৭ ৫৬ ০৫,
ই-মেইল: nagorikkagoj@gmail.com
Copyright © 2026 Nagorik Kagoj. All rights reserved.