হাবিব শিমুল,সান্তাহার(বগুড়া)প্রতিনিধি।।
বগুড়ার সান্তাহারে কাবিখা প্রকল্পের ১৪৩ মেট্রিকটন গম শনিবার গভীর রাতে একটি অটো রাইস মিল থেকে উদ্ধারের ঘটনায় ৬ দিনেও কোন তদন্ত কমিটি করা হয়নি।
বরং এ ঘটনায় যাদের নাম আলোচিত তারা একে অপরকে দোষারোপ করে চলেছেন। ফলে আলোচিত ঘটনার সাথে প্রকৃত ভাবে কে বা কারা জড়িত তা থেকে যাচ্ছে অন্ধকারে। এতে করে সচেতন মহলে ক্ষোভ বিরাজ করছে।
জানা গেছে, গত ২০১৯-২০ অর্থ বছরে আদমদীঘি উপজেলার ৩৬ কাবিখা প্রকল্পে ১৪৩ মেট্রিক টন গম বরাদ্দ করা হয়। প্রকল্পের সভাপতি করা হয় ১২ জন ইউপি সদস্যকে। নীতিমালা মোতাবেক কাজের অগ্রগতির ভিত্তিতে একাধিক কিস্তিতে প্রতিটি প্রকল্প সভাপতি গম উত্তোলন করবেন। কিন্তু করোনা দুর্যোগ এর অজুহাতে সে নীতিমালা অনুসরণ করা হয় নি। ওই অর্থ বছরের ২৯ ও ৩০জুন উপজেলা খাদ্য বিভাগ এক দফায় ওই পরিমান গমের বিলি আদেশ প্রদান করেন। প্রকল্প সভাপতিদের অনুকূলে বিলি আদেশ দেয়া হলেও রহস্যজনক ভাবে সেটি চলে যায় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানদের হাতে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ,কে,এম,আব্দুল্লাহ বিন রশিদ গণমাধ্যম কর্মীদের জানিয়েছেন ওই বিলি আদেশ নিয়ে সান্তাহার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এরশাদুল হক টুলু ও উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদুর রহমান পিন্টু নতুন অর্থ বছরের ৪ জুলাই শনিবার রাতে সান্তাহার খাদ্য শস্য সাইলো থেকে গম উত্তোলন করেন। বিষয়টি তাঁকে অবহিত করা হয়নি বলেও জানান ইউএনও।
এদিকে, খাদ্য গুদাম থেকে সরবরাহ নেয়া গমবোঝাই ৭ ট্রাকের মধ্যে ৬ ট্রাক শহরের খাড়ির পুল এলাকার বৈশাখী অটোমেটিক চালকলে নিয়ে রাখা হয়। সরকারি গমবাহী ট্রাক ব্যক্তি মালিকানার চালকলে নিয়ে রাখার বিষয়টি সান্তাহার পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক আনিসুর রহমানের মাধ্যমে উপজেলা নির্বাহী অফিসার অবহিত হন।
এর পর ইউএনও’র নির্দেশে ৬ ট্রাক বোঝাই গম উদ্ধার করে রাখা হয় উপজেলা সদর এল,এস,ডি খাদ্য গুদামে। পর দিন রবিবার সকালে ৬ ট্রাক গমের মধ্যে সান্তাহার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানকে ৩ ট্রাক গম দেওয়ার ঘটনায় সচেতন মহলে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: সফিকুল ইসলাম
লিটন মঞ্জিল, ভোলা-বরিশাল সড়ক, লক্ষ্মীপুর।
ফোন: +৮৮ ০১৭১২ ৯৭ ৫৬ ০৫,
ই-মেইল: nagorikkagoj@gmail.com
Copyright © 2026 Nagorik Kagoj. All rights reserved.