প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ২৫, ২০২৬, ৮:৩৫ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুলাই ১৩, ২০২০, ৫:১৬ এ.এম
ঝুঁকিপূর্ণ কালুরঘাট সেতুর দুর্ঘটনায় দায় কার?

সাজ্জাদ চৌধুরী,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি।।
অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ চট্টগ্রাম কালুরঘাট সেতু পার হওয়ার সময় মনে হয় প্রাণ হাতে নিয়ে পার হচ্ছে মানুষ। মূলত, এটি রেলসেতু হলেও যানবাহনও চলাচল করছে। পায়ে হেটেও পার হচ্ছে মানুষ। সংকীর্ণ এই রেলসেতু দিয়ে একসঙ্গে দুই দিকে যানবাহন চলাচল করতে পারে না। এক দিকের যানবাহন আটকে রেখে অন্যপাশের গাড়ি ছাড়া হয়। একমুখী চলাচলের এই ব্যবস্থার ফলে প্রতিদিনই যানজটে ভুগতে হয় চলতি পথের যাত্রীদের। এরই মধ্যে ট্রেন চলাচল করে এই সেতুটির ওপর।
শুধুমাত্র রেল চলাচলের জন্য রেলবিভাগ এটি তৈরি করলেও পরবর্তী সময়ে এটির ওপর দিয়ে যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থাও করা হয় চট্টগ্রাম নগরীর সঙ্গে দক্ষিণ চট্টগ্রামের, কক্সবাজার ও বান্দরবানের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য। এরই মধ্যে চট্টগ্রামের কালুরঘাটে আরো একটি আধুনিক সেতু নির্মাণের দাবি ওঠে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও এখানে সেতু নির্মাণ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন চট্টগ্রামের এক জনসভায়।
সম্প্রতি চট্টগ্রাম-৮ আসনের (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) সাংসদ জাসদ নেতা মইনুদ্দিন খান বাদল সেতু নির্মাণের দাবিতে প্রয়োজনে সংসদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা পর্যন্ত দিয়েছিলেন। তিনি কালুরঘাটে দ্বিতীয় সেতু নির্মাণের জন্য সংসদের ভেতরে ও বাইরে আন্দোলন করেছেন তার জীবদ্দশায়। তার মৃত্যুর পর গত ১৩ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর আওয়ামী লীগ নেতা (সদ্য বেসরকারিভাবে নির্বাচিত চট্টগ্রাম-৮ আসনের সাংসদ) মোছলেম উদ্দিন বলেছেন, আগামী এক বছরের মধ্যে কালুরঘাট সেতু নির্মাণের কাজ দৃশ্যমান হবে। তার সেই আশ্বাস কতটুকু বাস্তবায়িত হয় তাই দেখতে চান চট্টগ্রামবাসী, বিশেষ করে তার এলাকার জনগণ। নাকি তিনিও বাদলে এর সাক্ষাত করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
গতকাল ১২/০৭/২০২০ তারিখ সকালে সরেজমিন দেখা যায়, সেতুটিতে ট্রেন চলে এসেছে কিন্তু পথচারীরা এবং গাড়িও সেতু পার হতে পারেনি। ট্রেনের শব্দ পেয়ে দৌড়ে পার হওয়ার চেষ্টা করছেন পথচারীরা। ট্রেন অপেক্ষা করতে থাকে কখন গাড়ি আসা বন্ধ হবে বিরক্ত হয়ে ট্রেন চালক লাইনম্যান এর চিকনেল অমান্য করে এবং লাইনম্যান অনুরোধ করে একটু অপেক্ষা করার জন্য কিন্তু ট্রেন চালক চিকনেল অমান্য করে যখন গতি বড়িয়ে সামনে বাড়ালো এক মোটরসাইকেল আরোহী ইন্জিনের সাথে লেগে ছিটকে পড়ে যাই। আল্লাহর অশেষ রহমতে অল্পের জন্য বেচে যান। প্রাণ হাতে নিয়ে এভাবে প্রতিদিন পারাপার করে নদীর দুপাড়ের মানুষ। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল নিত্যদিনের দৃশ্য। যে কোন সময় ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা। প্রশ্ন হলো এ দায় কার?
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: সফিকুল ইসলাম
লিটন মঞ্জিল, ভোলা-বরিশাল সড়ক, লক্ষ্মীপুর।
ফোন: +৮৮ ০১৭১২ ৯৭ ৫৬ ০৫,
ই-মেইল: nagorikkagoj@gmail.com
Copyright © 2026 Nagorik Kagoj. All rights reserved.