শেখ আল মামুন,সাতক্ষীরা।।
দধি বা দই হল এক ধরনের দুগ্ধজাত খাদ্য যা দুধের ব্যাক্টেরিয়ার গাঁজন হতে প্রস্তুত করা হয়। ল্যাক্টোজের গাঁজনের মাধ্যমে ল্যাক্টিক এসিড তৈরি করা হয়, যা দুধের প্রোটিনের ওপর কাজ করে দইয়ের স্বাদ ও এর বৈশিষ্ট্যপূর্ণ গন্ধ প্রদান করে। মানুষ ৪৫০০ বছর ধরে দই প্রস্তুত করছে এবং তা খেয়ে আসছে যা সারা পৃথিবীতেই পরিচিত।
তবে ডাক্তার বা পুষ্টিবিদেরা সবসময়ই টক_দই খাওয়ার পরামর্শ দেন। বাইরের দেশগুলোতে যেমন ভারতে খাবার পরে সব সময় টক দই খায়। টক দই একটি lactic fermented খাবার যা অত্যন্ত পুষ্টিকর ও হেলদি খাবার। কারণ এতে আছে দরকারী ভিটামিন, মিনারেল, আমিষ ইত্যাদি। এটি দুগ্ধজাত খাবার ও দুধের সমান পুষ্টিকর খাবার। এমনকি এটি দুধের চেয়েও বেশি পুষ্টিকর খাবার হিসাবে গণ্য করা হয়।
তাহলে চলুন টক দই খাওয়ার কিছু উপকারিতা সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক -
১. এটি শরীরের রোগ_প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ঠাণ্ডা লাগা, সর্দি ও জ্বর না হওয়ার জন্য এটি ভালো কাজ করে।
২. ল্যাক্টিক এসিড থাকার কারণে এটি কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া ও কোলন ক্যান্সারের রোগীদের জন্য উপকারী।
৩. উচ্চ_রক্তচাপের রোগীরা নিয়মিত টক দই খেলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন।
৪. ডায়বেটিস এবং হার্টের অসুখের রোগীরা নিয়মিত টক দই খেলে অসুখ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন।
৫. নিয়মিত টক দই খেলে তা অন্য খাবার থেকে পুষ্টি নিয়ে শরীরকে সরবরাহ করে এবং সারাদিন কাজ করার শক্তি যোগায়।
৬. টক দই শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। তাই গ্রীষ্মকালে বেশি বেশি টকদই খাওয়া উচিত।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: সফিকুল ইসলাম
লিটন মঞ্জিল, ভোলা-বরিশাল সড়ক, লক্ষ্মীপুর।
ফোন: +৮৮ ০১৭১২ ৯৭ ৫৬ ০৫,
ই-মেইল: nagorikkagoj@gmail.com
Copyright © 2026 Nagorik Kagoj. All rights reserved.