মিজানুর রহমান,লালমনিরহাট প্রতিনিধি।।
লালমনিরহাট জেলার তিস্তা ও ধরলা নদীর পানি অস্ভাবিক ভাবে বাড়তে থাকায় বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হয়েছিল, নদীর পানি আজ কমতে থাকায় বন্যার পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতির দিকে।বানভাসি মানুষের মাঝে এখনো ত্রান সামগ্রী পৌছায়নি, সদর উপজেলার চেয়ারম্যান সুজন ব্যাক্তি উদ্দোগে বান ভাসি মানুষের মাঝে শুকনো খাবার বিতরন করলেন।
মঙ্গলবার(১৪ জুলাই) সদর উপজেলার মধ্যে বন্যায় সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায়, পানি বন্দি মানুষের মাঝে নৌকা করে শুকনো খাবার পৌছায় দেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সুজন।
তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধির পর থেকে বানভাসি মানুষের পাশে দাঁড়াতে, গত দুদিনে ২৭০০প্যাকেট শুকনো খাবার সুজনের ব্যাক্তিগত তহবিল থেকে বিতরন করা হয়।
গতকাল খুনিয়াগাছ এলাকার পানি বন্দি মানুষকে শুকনো খাবার পৌছে দিতে গভীর রাত পর্যন্ত তিনি কাজ করেন। আজকে রাজপুর ইউনিয়নের পানি বন্দি মানুষের মাঝে ১০০০ শুকনো খাবার তার ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে পৌছে দেন।
লালমনিরহাট জেলার বৃহত্ দুটি নদী তিস্তা ও ধরলার পানি আজকে কমতে শুরু করায় বন্যা কবলিত মানুষের আতংক কিছুটা কমেছে।এতে বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতি হলেও এসব এলাকায় খাদ্য সংকট তীব্র আকার ধারন করেছে।
সরকারি ত্রান সহায়তা ইতিমধ্যে বরাদ্দ দেবার কথা জেলা প্রশাসক আবু জাফর আহমেদ স্বীকার করেছেন ,কিন্তূ বন্যাকবলিত কোথাও সরকারি সহায়তা ও ত্রান সামগ্রী পৌছায়নি এখনো।ত্রান না পাবার অভাযোগ করেছেন মোগলহাট ফলিমরি চর এলাকার বানভাসি মানুষ।
সরেজমিনে কুলাঘাট শিবেরকুটি, খারুয়া, বোয়ালমারি,খাটামারি চর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়,বানভাসি মানুষ বাড়ির গৃহস্থালি গবাদি পশু নিয়ে বাঁধের উপর অস্থায়ী তাঁবু গেড়েছেন নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে,তাদের কাছে জিজ্ঞেস করলে জানান, চারদিন ধরে এই বাঁধের উপর পড়ে আছি কোন চেয়ারম্যান মেম্বার এখনো খোঁজ খবর নেননি।
এদিকে তিস্তা নদীর দুপা রে অবস্থিত সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ,রাজপুর,গোকুন্ডা, আদিতমারি উপজেলার মহিষখোচা,কালিগঞ্জ উপজেলার কাকিনা,হাতিবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারি,সিন্ধূর্না,সিংঙিমারি,ডায়াবারি,বড়খাতা,পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম ,বাউরা এলাকার বন্যাকবলিত মানুষের দাবী আমরা আর রিলিফ চাই না,আমরা তিস্তা নদীর দুপা রে স্থায়ী বাঁধ চাঈ।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: সফিকুল ইসলাম
লিটন মঞ্জিল, ভোলা-বরিশাল সড়ক, লক্ষ্মীপুর।
ফোন: +৮৮ ০১৭১২ ৯৭ ৫৬ ০৫,
ই-মেইল: nagorikkagoj@gmail.com
Copyright © 2026 Nagorik Kagoj. All rights reserved.