এম.জামশেদুল আলম। রাউজান (চট্রগ্রাম) প্রতিনিধি।
সারাবিশ্বে করোনা ভাইরাস এক আতংকের নাম।করোনা ভাইরাস প্রথম ধরা পড়ে চীনের উহান শহরে ৩১ডিসেম্বর তখন কেউ কেউ বলেছিলো মুসলিম জাতিকে নির্যাতন করায় আল্লাহ্র তুরফ থেকে এই দূর্যোগ আবার কেউ কেউ বলেন পৃথিবীর মানুষে কুকর্মের ফলসরুপ আল্লাহ এই দূর্যোগ বর্ষন করেন।
বাংলাদেশের প্রথম রোগী ধরা পরে ৮-ই মার্চ। কিন্তু এর অনেক আগে থেকে দেশের মানুষ জন সচেতন হয়ে যান। দিনে দিনে যখন দেশের করোনা রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকে তখন বাংলাদেশ সরকার সিদ্বান্ত নেন যে দেশকে লকডাউন করার,যেমন কথা তেমন কাজ। সারাদেশকে করে দিলো লকডাউন।
লকডাউন শব্দটা পড়তে যতটা সহজ এর অর্থ অত সহজ নাই।এর অর্থ কেবল টের পেয়েছে বাংলাদেশের মত উন্নয়নশীল দেশের গরিব ও মধ্যবিত্ত পরিবার গুলো। বাংলাদেশে লকডাউন থাকে গনা গনা ৬৬দিন অর্থাৎ ২মাস ৬দিন। লকডাউন ঘর থেকে বের হওয়া যাবে না। মানুষদের সাথে মেলে যাবে না। কাজ-কামতো দূরের কথা। ধনী ব্যাক্তিদের ব্যাংকে টাকার জোড় ছিলো,গরীবদের সাহায্যর জন্য বিভিন্ন সংগঠন ও ধনীব্যক্তিগন ছিলো, পাশে ছিলো সরকার।কিন্তু মধ্যবিত্ত যাদের কপালে লেখা ছিলো কেবল তারাই মরলো।এই মরা প্রাণে মরা নয়,এই মরা তিলে তিলে দুঃখে,কষ্ট ও খায়তে না পারার মরা।
প্রতিটি গরিব পরিবারে প্রায় সামাজিক সংগঠন, ধনীব্যক্তি ও সরকার থেকে ত্রান নামক উপহার প্রদান করা হয়েছে যা দিয়ে খেয়ে পরে বেচে থাকার মত অবস্থা ছিলো তাদের। ধনীদের ব্যাংকভর্তি টাকা ছিলো যা দিয়ে তারা জীবন যাপন করেছেন। মাঝখানে পড়ে দূঃখ-কষ্টে দিন যাপন করতে হয়েছে মধ্যবিত্তদের,যারা চক্ষু লজ্জায় কাউকে কিছু বলতে পারেনা আবার খিদের তাড়া সইতে পারেনা এই এক বড় পরিক্ষা খোদার তরফ থেকে।
অবশেষে সরকার লকডাউন রাখতে পারলো না,খুলে দিলো লকডাউন কিছু বিধি-বিধান দিয়ে কিন্তু কে মানে কার কথা, পেট বাচলেই যে জীবন বাচে তাই সকল কিছুই সীমিত বলে কাজে নেমে পড়লো যে যেদিকে অর্থের বিনিময়ে কাজ পাচ্ছে দুহাতে লুপে নিচ্ছে।কেউ কেউ শুরু করলো কৃষি কাজ, কেউ কেউ নতুন নতুন ব্যবসা যা দিয়ে কোনোরকম খেয়ে পরে বাচতে পারলেই হয়। কিন্তু কমলো না করোনা ভাইরাস আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। কোনোদিন কমলে আবার কোনোদিন বাড়ছে এইভাবে চলছে করোনা কালীন বাংলার জন-জীবন।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: সফিকুল ইসলাম
লিটন মঞ্জিল, ভোলা-বরিশাল সড়ক, লক্ষ্মীপুর।
ফোন: +৮৮ ০১৭১২ ৯৭ ৫৬ ০৫,
ই-মেইল: nagorikkagoj@gmail.com
Copyright © 2026 Nagorik Kagoj. All rights reserved.