এম.জামশেদুল আলম।
ইসলামের ২টি খুশির দিনের মধ্যে ঈদুল আযহা একটি। কোরবানির সার্বিক অর্থ হলো আল্লাহ্র জন্য বান্ধাদের প্রিয় জিনিষটি উপহার দেওয়া।সেটা বিভিন্ন পালিত পশু দিয়ে করা যায়।
কোরবানি তার উপর ওয়াজিব হয় যার কাছে নিসাব পরিমান সম্পদ থাকে। শরীয়তের পরিভাষায় নিসাব পরিমান সম্পদ হলো ব্যবহার্য জিনিষ ছাড়া অতিরিক্ত সাড়ে সাত ভড়ি স্বর্ণ ও সাড়ে বাহান্ন তুলা রুপ্পো অথবা তার সমপরিমাণ সম্পদ থাকলে তার উপর কোরবানি দেওয়া ওয়াজিব।সাধারণত যাকাত দেওয়ার জন্য নিসাব পরিমাণ সম্পদ এক বছর থাকতে হয় কিন্তু কোরবানির ক্ষেত্রে যিলহজ্ব মাসের ১০,১১ ও ১২ তারিখের এই তিন দিনের মধ্যে যেকোনো একদিন এমনকি এক ঘন্টার জন্যও যদি এই অতিরিক্ত সম্পদ কারো কাছে থাকে তাহলে তার উপর কোরবানি দেওয়া ওয়াজিব হয়। যিলহজ্ব মাসের ১০,১১ ও ১২ তারিখ এই তিনদিন কোরবানি দেওয়া যায়,তবে প্রথম দিন অর্থাৎ ১০ তারিখ কোরবানি দেওয়া উত্তম।
আমাদের দেশে সাধারণত দেখা যায় পরিবারের বয়স্ক বা অদরের কারো নামে কোরবানি দেওয়া হয় এটা সম্পূর্ণ ভুল। কোরবানি তার নামে দিতে হবে যার উপর কোরবানি ওয়াজিব হয়েছে। কোরবানি ওয়াজিব হয় তার উপর যিনি অর্থ উপার্জন করেন।পরিবারে যদি ৩-৪ জনই অর্থ উপার্জন করেন এবং তাদের সবার উপর কোরবানি ওয়াজিব হয় তাহলে সবার নামে কোরবানি দিতে হবে। তাই কোরবানি দেওয়ার সময় এটা মাথায় রেখে কোরবানি দিতে হবে।
কোরবানি কবুল হওয়ার জন্য নিয়ত ঠিক থাকতে হয়। যিনি কোরবানি দেবেন তার মন পরিষ্কার থাকতে হবে এমনকি একটি নিশ্বাস ও যেন কোরবানির জন্য আপসুস বা লোক দেখানো, লোক লজ্জার জন্য কোরবানি দেওয়া ইত্যাদি যদি কারো মনে নিয়ে কোরবানি দেওয়া হয় তাহলে তা আল্লাহর দরবারে কবুল হয় না।
কোরবানি একমাত্র আল্লাহ জন্য আর এর প্রতিদান আল্লাহ নিজেই দিবেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: সফিকুল ইসলাম
লিটন মঞ্জিল, ভোলা-বরিশাল সড়ক, লক্ষ্মীপুর।
ফোন: +৮৮ ০১৭১২ ৯৭ ৫৬ ০৫,
ই-মেইল: nagorikkagoj@gmail.com
Copyright © 2026 Nagorik Kagoj. All rights reserved.