
মোঃমাসুদ পারভেজ বাগেরহাট প্রতিনিধি।।
মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে মোংলা বন্দরে আনা আমদানী নিষিদ্ধ ৪ কন্টেইনার পোস্তদানা জব্দ করেছে মোংলা কাস্টমস হাউস।গোপন সংবাদ এবং কাস্টমসের গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী বৃহস্পতিবার দুপুরে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ মোংলা বন্দরের ২ নম্বর কন্টেইনার ইয়ার্ডে থাকা ৪টি কন্টেইনার আমদানীকারক প্রতিনিধি, সিএন্ডএফ এজেন্ট এ্যাসোসিয়েশন প্রতিনিধি, শিপিং এজেন্ট প্রতিনিধি, বাগেরহাট চেম্বার অব কমার্স এর প্রতিনিধি এবং মোংলা বন্দরের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে ওই কন্টেইনারগুলো ওপেন করেন। এ সময় দেখা যায় সেগুলোর মধ্যে ঘোষণা বর্হিভূত পণ্য আনা হয়েছে।২০ ফুট দৈর্ঘ্যের এই ৪টি কন্টেইনারে ফুটবল, টেনিস বল ও স্নো-স্প্রে আনার ঘোষণা ছিল আমদানীকারক প্রতিষ্ঠানের।
আমদানীকারকের ঘোষণা অনুযায়ী প্রতিটি কন্টেইনারে পণ্যের ওজন দেয়া ছিল ৫ টন আর সেখানে পোস্তদানা আনায় প্রতিটি কন্টেইনারে ১৭ থেকে ২০ মে: টন ওজন দাঁড়িয়েছে। কন্টেইনারের ওজন পরিমাপ করতে গিয়ে ঘোষণার সাথে মিল না থাকায় সন্দেহ হয় কাস্টমস কর্তৃপক্ষের।এরপর সংশ্লিষ্ট সকলের উপস্থিতিতে কন্টেইনার ৪টি ওপেন করা হয়। ওপেন করা মাত্র বেরিয়ে আসে ঘোষণা বর্হিভূত নিষিদ্ধ আমদানী পণ্য পোস্তদানা। কন্টেইনারে আনা প্রতিটি বস্তায় ২৫ কেজি করে পোস্তদানা রয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষণ চলায় কত বস্তা পোস্তাদানা রয়েছে এবং এর দাম কত তা জানাতে পারেনি কাস্টমস কর্তৃপক্ষ ।
মোংলা কাস্টমস হাউসের যুগ্ম কমিশনার মো: সামসুল আরেফিন খান বলেন, কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে গোপন সংবাদ ছিল যে, কিছু দুষ্কৃতিকারী রাতের আধারে কন্টেইনারের সিল ভেঙ্গে অন্যান্য মালামালের সাথে এ অবৈধ পণ্য পাচার করবে।যার জন্য জাহাজ থেকে কন্টেইনার নামার পর সেখানে কাস্টমসের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়, তাতে বন্দর কর্তৃপক্ষও যথেষ্ট সহায়তা করেন।
পরবর্তীতে সকলের উপস্থিতি পণ্যগুলো পরীক্ষণের জন্য বৃহস্পতিবার দুপুরে খোলা হয়। সেখানে ফুটবল, টেনিস বল ও স্নো-স্প্রের বদলে পাওয়া যায় আমদানী নিষিদ্ধ পোস্তদানা।মিথ্যা ঘোষণা দিয়ে ঢাকার সোয়ারী ঘাট এলাকার মেসার্স তাজ ট্রেডার্স ও চক বাজারের আয়েশা ট্রেডার্স এ পণ্য আমদানী করেছে।কন্টেইনার ওপেনের সময় নিধার্রণ করে তাদেরকে পত্র দেয়ার পাশাপাশি টেলিফোনে উপস্থিত থাকার জন্য বলা হলেও তারা উপস্থিত হননি। এ পণ্য নিয়ে এখন পরীক্ষণ চলছে এটি শেষ হলে কাস্টমস আইনে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে। এক্ষেত্রে পণ্যগুলো বাজেয়াপ্তসহ জড়িতদের আইনের আওতায় এনে আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর হাতে সোপর্দ করা হতে পারে বলেও জানান তিনি।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: সফিকুল ইসলাম
লিটন মঞ্জিল, ভোলা-বরিশাল সড়ক, লক্ষ্মীপুর।
ফোন: +৮৮ ০১৭১২ ৯৭ ৫৬ ০৫,
ই-মেইল: nagorikkagoj@gmail.com
Copyright © 2026 Nagorik Kagoj. All rights reserved.