মিজানুর রহমান,লালমনিরহাট প্রতিনিধি ।।
লালমনিরহাট জেলা কারাগারের ১৪কারারক্ষী মাদক সরবরাহের সাথে জড়িত থাকায়, ষ্টান্ড রিলিজের মাধ্যমে অন্যত্র বদলি করা হয়েছে। লালমনিরহাট জেলা কারাগারের জেল সুপার কিশোর কুমার নাগ বিষয়টি স্বীকার করেছেন।
লালমনিরহাট জেলা কারাগারে দীর্ঘদিন যাবত নানা অনিয়ম সহ মাদক সেবন ও বিক্রয় হয়ে আসছিল।জেল সুপার কিশোর কুমার নাগের ড্রাইভার কারারক্ষী তহুরুল ইসলাম ও ফিরোজ কবীর বিপুল পরিমান ইয়াবা সহ ডিবি পুলিশের হাতে ইতিপূর্বে ধরা পড়েন।অদৃশ্য কারনে তাদের বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা রুজু না করায় পরের দিন জামিন নিয়ে বেড়িয়ে আসেন।এই সংবাদ প্রকাশ করায় কারা রক্ষী জাহাঙ্গীর গং কতৃক সাংবাদিক শরিফুল ইসলাম রতন কে লাঞ্চিত করা হয়।লালমনিরহাট জেলা কারাগারের নানা অনিয়ম ও দূর্নিতী নিয়ে ইতিপূর্বে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম উঠে আসে।অবশেষে একটি গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত শেষে সুপারিশে দূর্নিতীবাজ ১৪জন কারারক্ষী র ষ্টান্ড রিলিজের মাধ্যমে অন্যত্র বদলির আদেশ আসে ১৪ই সেপ্টম্বর।
ঘটনার সুত্রে জানা যায় কয়েকমাস আগে লালমনিরহাট জেলা কারাগারে বদলি হয় আসেন কারারক্ষী মেহেদী ও তার স্ত্রী, তাদের সাথে পরিচয় হয় লালমনিরহাট জেলখানায় কারান্তরীন আসামী শুভর সাথে।শুভ জামিনে বেড়িয়ে এসে কারারক্ষী মেহেদীর সাথে দেখা করেন, তৈরী করেন বন্ধুত্ব পূর্ন্য সম্পর্ক্য।কারারক্ষী মেহেদী মাদক সেবন করা অবস্থায় তার ছবি ভিডিও করে রাখেন শুভ।সেই ভিডিও দেখিয়ে তাকে ব্লাক মেইলিং করতে থাকেন। শুভ সহ তার সহযোগীরা কয়েক দফা অর্থ আদায় করে কারারক্ষী মেহেদীর কাছ থেকে।
কারারক্ষী মেহেদী বিষয়টি থেকে পরিত্রাণ পেতে লালমনিরহাট সদর থানায় একটি জিডি করেন,বিষয়টি কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার নজরে আসলে, তারা নিবির ভাবে তদন্ত করেন।তারই ফলশ্রুতিতে লালমনিরহাট জেলা কারাগার ঢেলে সাজাতে ১৪জন কারারক্ষী কে ষ্টান্ড রিলিজের মাধ্যমে অন্যত্র বদলি করা হলো।
এদিকে জেলা কারাগারের ফার্মাসিস্ট সানোয়ার কে ইয়াবা ও নারী সহ গ্রামবাসী আটক করলে বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রচারিত হলে তাকে অন্যত্র বদলি করা হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: সফিকুল ইসলাম
লিটন মঞ্জিল, ভোলা-বরিশাল সড়ক, লক্ষ্মীপুর।
ফোন: +৮৮ ০১৭১২ ৯৭ ৫৬ ০৫,
ই-মেইল: nagorikkagoj@gmail.com
Copyright © 2026 Nagorik Kagoj. All rights reserved.