
মোঃমাসুদ পারভেজ,বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ
বাগেরহাটের মোংলায় ৯ বছর বয়সের এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনাকে ঘিরে নানা রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।পুলিশের প্রাথমিক সুরতহালে আত্মহত্যার নমুনা না মেলায় শিশুটি আত্মহত্যা করেছে নাকি এর পিছনে অন্য কোন কারণ রয়েছে এনিয়েই নানা গুঞ্জন রয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে আত্মহত্যা দাবী করা হলেও মুলত চিকিৎসক ও পুলিশের সুরতহাল রিপোর্টে আত্মহত্যার কোন নমুনা পাওয়া যায়নি।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে,মোংলা উপজেলার সুন্দরবন ইউনিয়নের বাঁশতলার রুচোমারী গ্রামের তাসলিম শেখ স্ত্রীকে নিয়ে চট্রগ্রামে থাকার সুবাধে তাদের ছেলে আব্দুল্লাহ শেখ দাদা সালাম শেখের কাছেই থাকতেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় দাদা বাড়ীর ঘরের আড়ার সাথে আব্দুল্লাহকে গলায় ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে থাকতে দেখে দাদা সালাম শেখ তাকে সেখান থেকে নিচে নামান।এরপর প্রতিবেশীরা সেখান থেকে শিশুটিকে মোংলা উপজেলা স্বাস্হ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন।হাসপাতালে আনার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক মৌসুমী মৌ শিশুটিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
আব্দুল্লাহ কে হাসপাতালে আনার সময় তার সাথে ছিলনা দাদা-দাদীর কেউই।আব্দুল্লাহকে হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী হেদায়েত হোসেন ও আলেয়া বেগম বলেন, আমরা শুনেছি গলায় ফাঁস লাগিয়ে ছিল।তাই হাসপাতালে নিয়ে আসি।তবে কেন কি কারণে ফাঁস দিয়েছে, এবং এতটুকু ছোট বাচ্চা কিভাবে কি কারণে ফাঁস দিতে পারে তা বুঝতে পারছিনা।
হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মৌসুমী মৌ ও শোভন খান বলেন, আব্দুল্লাহকে মৃতই হাসপাতালে আনা হয়েছে।তবে তার শরীরে আত্মহত্যার কোন চিহ্ন পাওয়া যায়নি তাই পুলিশকে খবর দেয়া হয়েছে।
মোংলা থানার এসআই লিটন মন্ডল আব্দুল্লাহ শরীরের সুরতহাল সম্পন্ন করে বলেন, তার শরীরের কোথাও কোন দাগ কিংবা আত্মহত্যার নমুনা পাওয়া যায়নি।তাই এটি আত্মহত্যা নাকি, অন্য কোন কারণ থাকতে পারে।বিষয়টি নিশ্চিতের জন্য লাশের ময়না তদন্ত করতে বাগেরহাট সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: সফিকুল ইসলাম
লিটন মঞ্জিল, ভোলা-বরিশাল সড়ক, লক্ষ্মীপুর।
ফোন: +৮৮ ০১৭১২ ৯৭ ৫৬ ০৫,
ই-মেইল: nagorikkagoj@gmail.com
Copyright © 2026 Nagorik Kagoj. All rights reserved.