প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ২৯, ২০২৬, ১২:০২ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২২, ২০২০, ৭:০৫ পি.এম
লক্ষ্মীপুরে কুশাখালীতে অতীতেও প্রতিশ্রুতি রাখেনি কুশাখালীর কোনো রূপকার

ফয়সাল মাহমুদ,লক্ষ্মীপুর ।।
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা ১৮ নং কুশাখালী ইউনিয়নের শান্তিরহাট বাজার থেকে ১ কিঃমিঃ পূর্বে কুশাখালী গ্রাম এবং মদনা গ্রামের মাঝে অবস্থিত এই সাঁকো। এই সাঁকোটি মদনা গ্রাম এবং কুশাখালী গ্রামের মাঝে দ্রুত যোগাযোগব্যবস্থার অন্যতম মাধ্যম। সাঁকোটি উওর মদনা এবং কুশাখালী গ্রামের মাঝে হওয়ায় কোনো ইউ.পি মেম্বারও এই সাঁকোটির অভিভাবক হতে চায় না। এই সাঁকোটির পশ্চিম পাড়ে রয়েছে একটি মাদ্রাসা ও একটি মসজিদ।
বর্ষার মৌসুমে মাদ্রাসার ছেলে মেয়েরা প্রতিদিন শতভয় কে বুকে নিয়ে পারাপার হতে হয় ভয়ংকর সাঁকো। শিক্ষার্থীরাও স্বপ্ন দেখে একটি ব্রিজের কিন্তু দুঃখ জনক বিষয় হচ্ছে স্বাধীনতা পর থেকে এই পর্যস্ত এখনো এই সাঁকোটি, সাঁকোই থেকে গেলো।
এলাকাটাটিতে রয়েছে সরকারের বিভিন্ন শ্রেণীবিভাগের সরকারি কর্মকর্তাগণ এবং এই সাঁকোটি প্রতিদিন ৪০০-৫০০ মানুষের যাতায়াতের মাধ্যম হিসেবে উল্লেখযোগ্য। উক্ত এলাকার আলোর পথ যুব সংঘ নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন প্রতিবারই সাঁকোটি মেরামত করে থাকেন।
জাতীয় নির্বাচন এবং ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনের সময় যদিও প্রার্থী রা নির্বাচনে জয়যুক্ত হলে এই ব্রিজ করে দিবে বলে প্রতিশ্রুতি দেয় কিন্তু নির্বাচনের পর প্রার্থী রা সব ভুলে যায়। প্রার্থী রা এই এলাকার জনসাধারণ কে ব্রিজের স্বপ্ন দিখিয়ে এসেছেন কিন্তু এলাকাবাসির স্বপ্ন ঘুমের ঘরেই থেকে যাচ্ছে দিনের পর দিন।
১৮ নং কুশাখালীতে বহু রূপকার এসেছেন কিন্তু কেউ কথা রাখতে পারেনি। উক্ত এলাকার স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন আলোর পথ যুব সংঘের দাবী এবং উক্ত এলাকাবাসির চাওয়া অন্ততপক্ষে এবারের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে যিনি বিজয়ী হবেন তিনি এই ব্রিজ গড়ার মহা নায়ক হিসেবে সাধারণ মানুষের মনে যায়গায় করে নিবেন বলে উক্ত এলাকাবাসির বিশ্বাস।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: সফিকুল ইসলাম
লিটন মঞ্জিল, ভোলা-বরিশাল সড়ক, লক্ষ্মীপুর।
ফোন: +৮৮ ০১৭১২ ৯৭ ৫৬ ০৫,
ই-মেইল: nagorikkagoj@gmail.com
Copyright © 2026 Nagorik Kagoj. All rights reserved.