প্রিন্ট এর তারিখঃ অগাস্ট ২২, ২০২৬, ৮:১১ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ অক্টোবর ৩, ২০২০, ৩:১৬ পি.এম
চোখের ছানির কারণ,লক্ষ্মণ ও প্রতিরোধ

শেখ আল মামুন,সাতক্ষীরা ।।
আমাদের চোখের ভেতর ক্রিস্টালের মতো পরিষ্কার লেন্স থাকে। এটি দিয়ে আমরা দূরে-কাছের দৃশ্য সমন্বয় করি। এটিতে কোনো অস্বচ্ছতা তৈরি হলে একে আমরা ছানি বলি। এটি সাধারণত ঘোলাটে ও সাদা রঙের হয়।সাধারণত বয়স্কদের চোখের ছানি বেশি হয়। ৪০ থেকে ৫০ বছর বয়স্কদের জন্য এটা খুবই সাধারণ একটি অসুখ। তবে অন্যদেরও চোখে ছানি পড়তে পারে। যাদের ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা আছে তাদের কম বয়সেও চোখে ছানি পরতে পারে। এছাড়া গর্ভবতী মায়ের ছানি থাকলে জন্ম থেকেই সন্তানের চোখে ছানি হতে পারে। চোখে মারাত্মক আঘাত থেকেও ছানি হতে পারে।
ছানির লক্ষণ :
চোখে ঝাপসা দেখা, লেন্সের রং ঘোলা হয়ে যাওয়া, একটি জিনিস দুইটি দেখা, অন্ধকারে কম দেখা, রঙের বোধ কমে যাওয়া।
ছানি পড়ার কারণ :
চোখে ছানি পড়ার প্রধান কারণ বয়সের সঙ্গে সঙ্গে লেন্সের উপাদান প্রোটিনের গঠন নষ্ট হয়ে যাওয়া।
১. ডায়াবেটিস, এবং চোখের ইনফেকশন ইত্যাদি থাকলে।
২. বংশগত কারনেও চোখে ছানি পরতে পারে।
৩. সূর্যের অতিরিক্ত তাপ বা অতিবেগুনি রশ্মিতে কাজ করলে।
৪. চোখে আঘাত পাওয়া
৫. স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ অনেকদিন সেবন করলে
৬. ধূমপান ও অ্যালকোহলে পান করলে।
৭. ভিটামিনের ঘাটতি।
প্রতিরোধ :
চোখের নিয়মিত যত্ন নেওয়া, ডাক্তারের কাছ থেকে নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করানো, দীর্ঘমেয়াদি অসুখ হলে তার চিকিৎসা করা, এছাড়া যেসব খাবার চোখের জন্য উপকারী নিয়মিত সেসব খাবার খাওয়া। চোখের ছানি হলে চক্ষুবিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: সফিকুল ইসলাম
লিটন মঞ্জিল, ভোলা-বরিশাল সড়ক, লক্ষ্মীপুর।
ফোন: +৮৮ ০১৭১২ ৯৭ ৫৬ ০৫,
ই-মেইল: nagorikkagoj@gmail.com
Copyright © 2026 Nagorik Kagoj. All rights reserved.