
আহসান হাবিব শিমুল,আদমদীঘি (বগুড়া) প্রতিনিধি ।।
আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার পৌর শহরের ৯ রাস্তা চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়ে বছর চারেক পূর্বে। সংবাদপত্রে অনেক লেখালেখির পর রাস্তা ঠিক করার উদ্দেশ্যে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ‘গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প ফেস-২' থেকে ৫ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়। এর প্রেক্ষিতে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ৯ কাজের দরপত্র আহবান করে সান্তাহার পৌরসভা।
কার্যাদেশ পাওয়ার পর ঠিকাদাররা এপ্রিল মাসে নির্মান কাজ শুরু করে। পুরাতন রাস্তার বেহাল কার্পেটিং তুলে নতুন বেড তৈরি করে ৩ কার্পেটিং রাস্তার ডব্লুবিএম কাজ শেষ করার পর রানিং বিল তুলতে গিয়ে হতাশ হয়ে পড়েন ঠিকাদাররা। পৌরসভা কর্তৃপক্ষ ঠিকাদারদের জানায় তহবিল পাওয়া যায় নি। বিল না পাওয়ার কারনে ঠিকাদাররা ৬ মাস পূর্বে কার্পেটিং কাজ বন্ধ করে দেয়। ফলে সান্তাহার রেলওয়ে লেভেলক্রসিং থেকে মালশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মোড় পর্যন্ত দুই কিলোমিটার এবং মায়ার মোড় থেকে পাথরকুটা পর্যন্ত এক কিলোমিটার রাস্তার অবস্থা আগের চেয়ে বেহাল হয়ে পড়েছে। বৃষ্টিতে ডব্লুবিএমে ব্যবহার করা বালু ধুয়ে গিয়ে ইটের খোয়া বেরিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে। খোয়ার উপর দিয়ে কোন যানবাহন চালক ভারসাম্য রক্ষা করতে পারে না। এক সময়ের ব্যস্ততম রাস্তা গুলো দীর্ঘ দিন ধরে যানবাহন শুন্য। ফলে এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
এ ব্যাপারে ঠিকাদার নিসরুল হামিদ ফুতু ও মোঃ সোহেলের সাথে যোগাযোগ করলে তারা ইতিমধ্যে করা কাজের বিল না পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, সাময়িক ভাবে কাজ বন্ধ রেখেছি। তবে আগামী ডিসেম্বরে অবশিষ্ট কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। সান্তাহার পৌরসভার প্রকৌশলী রেজাউল হক বলেন, বরাদ্দ ৫ কোটি টাকার মধ্যে এ পর্যন্ত দুই দফায় মাত্র ৪৫ লাখ টাকা পাওয়া গেছে। সে টাকা থেকে ঠিকাদারদের কাজের অগ্রগতি অনুযায়ী বিল প্রদান করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন কার্পেটিং এবং সিসি ঢালাই রাস্তার কাজের মেয়াদ শেষ হবে ২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারিতে। এর মধ্যে টিকাদারদের শতভাগ কাজ শেষ করতেই হবে। না হলে তাদের জামানত বায়েজাপ্ত এবং লাইসেন্স বাতিল হয়ে যাবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: সফিকুল ইসলাম
লিটন মঞ্জিল, ভোলা-বরিশাল সড়ক, লক্ষ্মীপুর।
ফোন: +৮৮ ০১৭১২ ৯৭ ৫৬ ০৫,
ই-মেইল: nagorikkagoj@gmail.com
Copyright © 2026 Nagorik Kagoj. All rights reserved.