নিজস্ব প্রতিবেদক ।।
লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলায় মেঘনা নদীতে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত হয়েছেন দুই জন এছাড়া ঢাকা মিটফোর্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একজন নিহত হয়েছেন।
গত শনিবার(২ জানুয়ারি)রাত আনুমানিক ৯.৩০ ঘটিকার সময় ১নং চর কালকিনি ইউপির ২নং ওয়ার্ডের মতিরহাট মাছের আড়তের উত্তর পাশে মেঘনা নদীর পাড়ে হতাহতের ঘটনাটি ঘটে।এ ঘটনায় কমলনগর থানায় একটি মামলা হয়।মামলা নং-০১ তাং-০৩/০১/২০২১ ইং।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়,উভয় পক্ষ নৌকার মাধ্যমে মেঘনা নদীতে মাছ ধরার কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করে।ঘটনার দিন সকাল আনুমানিক ৮.০০ ঘটিকার সময় জোয়ারের কারনে একপক্ষের জাল অন্যপক্ষের জালের সহিত প্যাঁচাইয়া যাওয়াসহ নৌকার সহিত ধাক্কা লাগার কারনে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।এজাহারে উল্লেখিত সাক্ষীগন বিবাদীদেরকে উক্ত বিষয়ে জিজ্ঞাসা করিতে গেলে বিবাদীগনসহ অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা বেআইনিভাবে দলবদ্ধ হয়ে হত্যার উদ্দেশ্যে হাতে শক্ত লাঠিসোঠা নিয়া ঘটনাস্থলে ১,২ ও ৩ নং সাক্ষীদ্বয়ের উপর অতর্কিতভাবে হামলা করে।বিবাদীগন ও অজ্ঞাতনামা বিবাদীরা সাক্ষীদ্বয়কে এলোপাথাড়িভাবে মারপিট ও আঘাত করিয়া তাহাদের শরীরের বিভিন্ন অংশে ফুলা ও বেদনাদায়ক জখম করে।আশপাশের লোকজনের সহায়তায় আহতদেরকে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে আনা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ২ ও ৩ নং সাক্ষী জসিম ও মাঈন উদ্দিনকে চিকিৎসাধীন রেখে ১নং সাক্ষী মো:রাকিব এর অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে তাকে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করে।নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ভিকটিমের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মিটফোর্ড হাসপাতালে রেফার্ড করা হলে ০৪.০১.২০২১ ইং তারিখ সকাল আনুমানিক ৮.৩০ ঘটিকার সময় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
উক্ত মামলার ০৬ নং আসামী মোঃ রুবেল বর্তমানে জেল হাজতে আছে।আসামী রুবেল ২০ নং চররমনী ইউনিয়নের ০৭ নং ওয়ার্ডের কালু মাঝি বাড়ীর কালু মিয়ার ছেলে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: সফিকুল ইসলাম
লিটন মঞ্জিল, ভোলা-বরিশাল সড়ক, লক্ষ্মীপুর।
ফোন: +৮৮ ০১৭১২ ৯৭ ৫৬ ০৫,
ই-মেইল: nagorikkagoj@gmail.com
Copyright © 2026 Nagorik Kagoj. All rights reserved.