
আহসান হাবিব শিমুল,আদমদীঘি ( বগুড়া ) প্রতিনিধি :
সান্তাহার পৌর শহরের বশিপুর বাইপাস এলাকায় সড়ক ও জনপথের কার্লভাটের মুখে বহুতল ভবন নির্মাণ করা হচ্ছে। এ ভবন নির্মাণের জন্য পৌরসভার অনুমোদন নেয়া হয় নি। কিন্তু কাজ চলছে অবাধে। পৌরসভার প্ল্যানিং নকশা অনুমোদন ছাড়াই কোন খুঁটির জোরে নির্মাণ কাজ চলছে সেই প্রশ্ন ওই এলাকার জনমনে। এই ইমারত নির্মাণের কারনে বর্ষা মৌসুমে মাঠ দিয়ে পানি প্রবাহের পথ চিরতরে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ মিলেছে।
সরেজমিন জানা গেছে, সান্তাহার-নওগাঁ বাইপাস আঞ্চলিক মহাসড়কের সান্তাহার পৌরসভার বশিপুর বাইপাস নামক এলাকার গ্যারেজ পট্টির পশ্চিমে সওজ নির্মিত একটি কার্লভাট রয়েছে। ওই কার্লভাটের উত্তর পাশের মুখের সামনে বাঁধ দিয়ে চাষাবাদ এবং দক্ষিণপাশের মুখে জমির মালিক মোসলিম উদ্দিন বহুতল ভবন নির্মান করছেন। ফলে কার্লভাটের মুখ বরাবর মাঠ দিয়ে পানি প্রবাহের পথ ও স্বাভাবিক গতি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এতে করে বর্ষা মৌসুমে ওই কার্লভাট ও সড়কের উত্তর পাশে জলাবদ্ধতার সম্মুখীন হবে আবাদি জমি, ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। ওই নির্মাণাধীন ভবনের নিচ দিয়ে কার্লভাটের মুখ বরাবর মাঠ দিয়ে পানি প্রবাহের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে কি-না সে বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে জমির মালিক মোসলিম উদ্দিন না সূচক জবাব দিয়ে বলেন, মার্কেটের পূর্ব পাশে আমি চার ফুট জায়গা ফাঁকা রাখছি। ওই দিক দিয়ে পানি প্রবাহিত হবে।
কিন্তু সরেজমিন দেখা যায় কার্লভাটের মুখ বরাবরের পরিবর্তে দিক পরিবর্তন করে ড্রেন দিয়ে পানি প্রবাহের স্বাভাবিক গতি থাকবে না। এ বিষয়ে পৌরসভার প্রকৌশলী রেজাউল করিমের সাথে মোবাইল ফোনে সংবাদকর্মীরা যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, টেকনিক্যাল সমস্যার কারনে ওই ভবন নির্মাণ সংক্রান্ত প্ল্যান বা নকশা এখনো অনুমোদন করা হয় নি। তিনি বলেন, সড়কের দুই পাশের জলাধারের সামনের স্ব স্ব জমির মালিকগণ জমি ভরাট করার জন্য পানি প্রবাহের সমস্যা আগে থেকেই আছে। তিঁনি তাঁর বক্তব্য না নিয়ে মেয়রের সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন। এ বিষয়ে মেয়র তোফাজ্জল হোসেন ভুট্টু’র মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব না হওয়ায় তাঁর বক্তব্য মেলেনি। এ ব্যাপারে সচেতন মহলের অভিমত পৌরসভার প্রকৌশল বিভাগের অযোগ্যতা ও উদাসিনতার কারনে এভাবে গড়ে উঠছে অপরিকল্পিত শহর।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: সফিকুল ইসলাম
লিটন মঞ্জিল, ভোলা-বরিশাল সড়ক, লক্ষ্মীপুর।
ফোন: +৮৮ ০১৭১২ ৯৭ ৫৬ ০৫,
ই-মেইল: nagorikkagoj@gmail.com
Copyright © 2026 Nagorik Kagoj. All rights reserved.