প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ২২, ২০২৬, ১২:১০ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ মার্চ ১৬, ২০২১, ৮:৫৯ পি.এম
গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি

অনলাইন ডেস্ক ।।
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ক্রপ ফিল্ড মোজাইক হিসেবে গিনেস বুকে স্থান পেলো ‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু’।
মঙ্গলবার ( ১৬ মার্চ) বিকেলে পৌনে চারটায় গিনেস বুক কর্তৃপক্ষ অফিসিয়ালি মেইল করে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।
এর আগের রেকর্ডটি ছিল চীনের দখলে, ২০১৯ সালে ৭৯ হাজার ৫০৫ বর্গমিটার জমিনে কাউফিশের ছবি ফুটিয়ে তুলেছিল দেশটির সাংহাইয়ের লেজিদাও ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি লিমিটেড।
বগুড়ার শেরপুর উপজেলার বালেন্দা গ্রামে এক লাখ ১৯ হাজার ৪৩০ বর্গমিটার জমিনে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি। চীন থেকে আনা হয়েছে বেগুনি রঙের এফ-ওয়ান জাতের ধানের চারা।
সুবজ ও ঘন বেগুনি ধানগাছের চারায় জেগে উঠেছে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীতে ধানগাছ দিয়ে ১২০ বিঘা জমিতে পাখির চোখে রংতুলিতে আঁকা হয়েছে এটি। মাত্র ৩০ দিনেই ফুটে উঠেছে বঙ্গবন্ধুর মুখচ্ছবি। ধানগাছ দিয়ে বিশাল ক্যানভাসে আঁকা হয়েছে এই শস্যচিত্র।
কয়েক মাসের প্রস্তুতি শেষে গত মাসের প্রথম দিকে কাজ শুরু হয় মাঠে। শস্যক্ষেতে একজন মানুষের প্রতিকৃতি ফুটিয়ে তুলে গিনেস রেকর্ড দখলে নেয়াই ছিল লক্ষ্য।
শেরপুরের বালেন্দা গ্রামে দেখা যায়, বাংলার জমিনে বঙ্গবন্ধুকে দেখতে আসেন শতাধিক মানুষ। অনেকেই এসেছেন দূর-দূরান্ত থেকে। ইতিহাসের অংশ হতে পেরে যেমন আনন্দিত স্থানীয়রা, তেমনি এই শিল্পকর্মটি দেখতে পেয়ে আনন্দিত দর্শনার্থীরাও।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে এই পুরো প্রকল্পের ভাবনা, নকশা এবং বাস্তবায়ন করেছে এক্সপ্রেসিভ কমিউনিকেশনস লিমিটেড। প্রকল্পে অর্থায়ন করেছে ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার গ্রুপ।
ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার জানিয়েছিল, বঙ্গবন্ধু যেহেতু কৃষকবান্ধব নেতা ছিলেন, তাই তার জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে তাকে সম্মান জানাতেই এই শিল্পকর্মটি করা।
গত ডিসেম্বরে প্রকল্পটির প্রাথমিক কাজ শুরু হয়। এরপর ২৯ জানুয়ারি আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিমসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের জনপ্রতিনিধিরা প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন।
গত ১ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত স্থানীয় ১৪০ নারী শ্রমিক ধানের চারা রোপণ করেছেন। এর আগে বগুড়ার বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ১০০ শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোরের (বিএনসিসি) সদস্যরা শুকনো জমিতে প্রায় এক হাজার ২০০ খুঁটি পুঁতে প্রতিকৃতিটির লে-আউট করেন।
ওই ১০০ বিঘা জমি কৃষকদের কাছ থেকে উপযুক্ত মূল্য দিয়ে সাত মাসের জন্য লিজ নেয়া হয়েছে। এই ফসল উঠে গেলে কৃষকরা আবার তাদের জমি ফেরত পাবেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: সফিকুল ইসলাম
লিটন মঞ্জিল, ভোলা-বরিশাল সড়ক, লক্ষ্মীপুর।
ফোন: +৮৮ ০১৭১২ ৯৭ ৫৬ ০৫,
ই-মেইল: nagorikkagoj@gmail.com
Copyright © 2026 Nagorik Kagoj. All rights reserved.