
আহসান হাবিব শিমুল,আদমদীঘি( বগুড়া) প্রতিনিধি ।।
প্রায় ২৫ ঘন্টা পর অবশেষে সরকারের আমদানী করা চালের খালাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
রবিবার বিকাল ৪ টা থেকে খালাস কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। সরকারি ভাবে ভারত থেকে প্লাস্টিক বস্তায় আমদানি করা সিদ্ধ চালের বস্তার ওজন কম এবং আর্দ্রতা কম-বেশি হওয়ায় শনিবার ওয়াগন খুলেও শেষ পর্যন্ত খালাস কার্যক্রম বন্ধ করে দেয় খাদ্য বিভাগ।
জানা গেছে, সরকারি ভাবে পাশের দেশ ভারত থেকে সিদ্ধ চালের আমদানী পত্র খোলা হয়েছে। এর মধ্যে ২০ হাজার মেট্রিক টন চাল দেশের বৃহত্তম খাদ্য সংরক্ষণাগার সান্তাহার সিএসডিতে সংরক্ষণ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। দর্শনা রেলওয়ে বন্দর দিয়ে প্রথম পর্যায়ে ৪২ ওয়াগন চাল এসেছে। এর মধ্যে ৩১টি ওয়াগন শুক্রবার রাতে সান্তাহার জংশন স্টেশনে এসে পৌঁচেছে। শনিবার দুপুরে রাজশাহী বিভাগীয় খাদ্য নিয়ন্ত্রক জি,এম ফারুক হোসেন পাটোয়ারি এবং বগুড়া জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক আশরাফুজ্জামান মুকুল সান্তাহার রেলওয়ে খালাস পয়েন্টে আসেন। দুপুর দেড়টার দিকে চালবাহী ভারতীয় ওয়াগনের সিল ও রিপিট খোলা হয়। এরপর চালের প্রতিটি বস্তার ওজন ও আর্দ্রতা পরীক্ষা করা হয়। এ সময় এক এক করে প্রায় অর্ধশত বস্তা চাল ইলেকট্রিক ওজন যন্ত্রে ওজন করা হয়। কিন্তু কোন বস্তায় ৫০ কেজি চাল মেলেনি। কম মিলেছে পৌনে এক কেজি পয়ন্ত এবং আর্দ্রতা ১৩.৫ থেকে ১৪.৮ পয়েন্ট পর্যন্ত মেলে। এ অবস্থায় চাল খালাস কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়ে ফের সিল ও রিপিট করে দেওয়া হয়।
এরপর আর্দ্রতা সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত পাওয়ার জন্য চালের নমুনা বিশেষ বাহকের মাধ্যমে ঢাকায় খাদ্য বিভাগের ল্যাবরেটরিতে টেস্টের জন্য পাঠানো হয়। এ বিষয়ে রবিবার বিকাল সাড়ে ৪টায় রাজশাহী বিভাগীয় খাদ্য নিয়ন্ত্রক জি,এম ফারুক হোসেন পাটোয়ারির সাথে মোবাইল ফোনে সংবাদকর্মী যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, ঢাকা থেকে খালাসের অনুমতি দেওয়ার প্রেক্ষিতে খালাস কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। চাল ভর্তি বস্তার ওজন কম বিষয়ে তিঁনি বলেন, আমরা বস্তার ওজনকে প্রাধান্য না দিয়ে ওজন সেতুতে ট্রাকের ওজনের গড় ওজন নেব।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: সফিকুল ইসলাম
লিটন মঞ্জিল, ভোলা-বরিশাল সড়ক, লক্ষ্মীপুর।
ফোন: +৮৮ ০১৭১২ ৯৭ ৫৬ ০৫,
ই-মেইল: nagorikkagoj@gmail.com
Copyright © 2026 Nagorik Kagoj. All rights reserved.