ইমাম খোমেনী (রহ.)’র মৃত্যুবার্ষিকীতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার ভাষণের অংশবিশেষ

শেখ আল মামুন ।।
ইসলামী বিপ্লবের রূপকার ইমাম খোমেনী (রহ.)’র মৃত্যুবার্ষিকীতে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার ভাষণের অংশবিশেষ (৪ জুন, ২০২১) 
সাফল্যের চাবিকাঠি
ইসলামী প্রজাতন্ত্রের সাফল্যের চাবিকাঠি হচ্ছে এই দু’টি শব্দ: ইসলামী ও প্রজাতন্ত্র। হজরত ইমাম খোমেনী (রহ.) মহান ও বিশাল যে কাজটি করেছেন তাহলো ইসলামী প্রজাতন্ত্রের তত্ত্ব উদ্ভাবন করেছেন এবং তা বাস্তবায়ন করেছেন। তাঁর এই তত্ত্বের ভিত্তি হলো পবিত্র ইসলাম ধর্ম ও জনগণ সম্পর্কে গভীর জ্ঞান।
শত্রুদের পূর্বাভাসের চরম ব্যর্থতা
গত এক-দুই শতাব্দীতে যেসব রাষ্ট্র ও সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তার মধ্যে আর কোনো ব্যবস্থার পতনের বিষয়ে এত বেশি পূর্বাভাস করা হয়নি যেমনটি করা হয়েছে ইরানের ইসলামী প্রজাতন্ত্রের বিষয়ে। ইসলামী বিপ্লবের প্রথম দিন থেকেই এর বিরোধীরা যারা এই বিপ্লবকে সহ্য করতে পারছিল না তারা বলছিল এই বিপ্লব দু’মাস, ছয় মাস বা এক বছরের বেশি স্থানীয় হবে না। এক বা দু’বছর আগে আমেরিকার একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাও বলেছিলেন যে, ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের বিপ্লবের ৪০তম বার্ষিকী উদযাপনের সুযোগ হবে না। কিন্তু আল্লাহর রহমতে ইমাম খোমেনী (রহ.)’র বিপ্লব ও রাষ্ট্র ব্যবস্থার পতন হয়নি বরং তা ক্রমেই এগিয়ে যাচ্ছে। দিন দিন আরও বেশি শক্তিশালী হচ্ছে।
ভোটারদের প্রতি পরামর্শ
প্রত্যেকের উচিৎ নির্বাচনে অংশগ্রহণকে নিজের ওপর অর্পিত একটি দায়িত্ব হিসেবে গণ্য করা এবং নিজে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি অন্যকেও পরামর্শ দেওয়া।
প্রার্থীদের প্রতি দিকনির্দেশনা
প্রত্যেক প্রার্থীকে অবশ্যই সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, ধনী-দরিদ্রের মধ্যে ব্যবধান হ্রাস, দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই, দেশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি এবং চোরাচালান ও মাত্রাতিরিক্ত আমদানি ঠেকানোর বিষয়ে নিজেকে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ মনে করতে হবে। তাদেরকে এখন প্রতিশ্রুতিগুলো সুস্পষ্ট করতে হবে যাতে নির্বাচনে বিজয়ের পর প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করলে নজরদারির দায়িত্বে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলো জবাবদিহির সম্মুখীন করতে পারে।