অনলাইন ডেস্ক ।।
পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে দুই যাত্রীবাহী ট্রেনের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে কমপক্ষে ৬৩ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় আহতের সংখ্যাও বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১০০ জনে।
গতকাল সোমবার (৭ জুন) স্থানীয় সময় ভোরে দেশটির সিন্ধু প্রদেশের ঘোটকি জেলার ধারকি শহরের কাছে মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনা ঘটে। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে এপি।
পাকিস্তান রেলওয়ের একজন মুখপাত্র বলেন, করাচি থেকে সারগোদায় যাওয়ার পথে রাইতি রেলওয়ে স্টেশনের কাছে লাইনচ্যুত হয় মিল্লাত এক্সপ্রেস। ঠিক তখনই রাওয়ালপিন্ডি থেকে ছেড়ে আসা স্যর সাঈদ এক্সপ্রেস ট্রেন ওই রেললাইন ধরেই ছুটে আসছিল। দুটি ট্রেনের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। দুমড়ে মুচড়ে যায় মিল্লাত এক্সপ্রেসের বেশ কয়েকটি কামরা। বেশ কয়েকটি বগি উল্টে যায়। ঘটনাস্থলেই বেশ কয়েকজন যাত্রী প্রাণ হারান। পরে খবর পেয়ে উদ্ধারকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করেন।
ঘোটকি জেলার এসএসপি ওমর তোফায়েল জানান, দুর্ঘটনার পর থেকে উদ্ধার কাজ চললেও রাতে একসঙ্গে আরও ১২টি মৃতদেহ উদ্ধারের পর মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৬৩ জনে।
তিনি আরও বলেন, ‘নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আমরা আশঙ্কা করছি। কারণ ট্রেনের ভেতরে থাকা কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে আমরা এখনও খুঁজে পাইনি।’
উদ্দারকার্য তদারকিতে থাকা রেলের ইঞ্জিনিয়ার জাহান জেব সংবাদ সংস্থা ‘এএফপি’র প্রতিনিধিকে বলেছেন, ‘গত ১০ বছরে আমার কর্মজীবনে এত ভয়াবহ দুর্ঘটনা দেখিনি। কাল সারা রাত দু চোখের পাতা এক করতে পারিনি।’ এখনও পর্যন্ত দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো ৫১ যাত্রীর পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হলেও ১২ জনের পরিচয় জানা যায়নি বলে রেল মন্ত্রকের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন। ফলে ওই ১২ জনের মৃতদেহ নিয়ে কী করা হবে, তা নিয়ে কিছুটা সংশয়ে পড়েছেন রেল আধিকারিকরা।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: সফিকুল ইসলাম
লিটন মঞ্জিল, ভোলা-বরিশাল সড়ক, লক্ষ্মীপুর।
ফোন: +৮৮ ০১৭১২ ৯৭ ৫৬ ০৫,
ই-মেইল: nagorikkagoj@gmail.com
Copyright © 2026 Nagorik Kagoj. All rights reserved.