প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ৩০, ২০২৬, ৮:০০ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুলাই ২৬, ২০২১, ৮:৫০ এ.এম
লালমনিরহাটে পরোকিয়ার জেরে স্বামীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্ত্রীর বিরুদ্ধে

মিজানুর রহমান,লালমনিরহাট ।।
লালমনিরহাট পৌর এলাকার মাঝা পাড়ায় স্ত্রী মমিনা বেগম (২৬)এর বিরুদ্ধে স্বামী আঃ জলিল কে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।হত্যার ষড়যন্ত্র কারী হিসেবে মাঝাপাড়া এলাকার রমযান আলীর ছেলে পল্লি চিকিৎসক গোলাম রব্বানী কে সন্দেহ করছে এলাকাবাসী।
রবিবার ২৫জুলাই লালমনিরহাট জেলা পুলিশ সুপার বরাবরে মৃত আঃজলিলের বড় ভাই আঃ রশিদ একটি অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগে বাদী আঃ রশিদ বলেন সদর উপজেলার খুনিয়াগাছ ইউনিয়নের শাহার আলীর পুত্র আঃজলিল ০৮বছর যাবত তার শ্বশুর বাড়ী তিনদিঘী মাঝাপাড়া এলাকায় বসবাস করছেন।মৃত জলিলের স্ত্রী মমিনা বেগমের সাথে তিনদিঘী এলাকার পল্লী চিকিৎসক গোলাম রব্বানীর ঔষধের দোকানে ঘন ঘন যাতায়াত করায় পরোকীয় সম্পর্ক্য গড়ে উঠে।
মমিনা বেগমের পরোকীয়া সম্পর্ক্যে বাঁধ সাধে স্বামী আঃজলিল, তাই ভাই আশরাফুল ইসলাম ও প্রেমিক গোলাম রব্বানী কে নিয়ে স্বামীকে হত্যার পরিকল্পনা আঁটে।পরিকল্পনা মাফিক ঈদের পরের দিন ২২জুলাই রাতে স্বামী আঃজলিলের খাবারের সাথে ঘুমের ঔষধ মেশানো হয়,এতে আঃ জলিল অচেতন হলে তাকে মারধর করা হয়,এতে আঃ জলিলের রাত দুটোর মধ্যে মৃত্যূ হয়।
পরের দিন সকালে অতি গোপন ভাবে মৃত জলিলের গোসল সেরে খুনিয়াগাছ ইউনিয়নে আত্মীয়স্বজন কে মৃত্যুর খবর দেওয়া হয়।সকাল দশটা নাগাদ মৃতঃ জলিলের ভাই আঃরশীদ ও অন্যান্য আত্মীয় মাঝাপাড়া আসেন।তারা মৃত জলিলের শরীরে ও নাকে রক্ত দেখতে পান।তারা জলিলের মৃত্যুর কারন জানতে চাইলে পল্লি চিকিৎসক গোলাম রব্বানি বলেন আপনার ভাইয়ের হার্ট এট্যাক হয়ে মৃত্যূ হয়েছে,তাই দ্রুত লাশ দাফন করতে হবে।
লাশ দাফনের পরে মৃতঃ জলিলের স্ত্রী মমিনা বেগম কে তার স্বামীর ভিটায় নিয়ে যেতে চাইলে স্ত্রী মমিনা বেগম অস্বীকৃতি জানায়,এবং সকলের সামনে সে পল্লী চিকিৎসক গোলাম রব্বানী কে বিয়ে করার কথা বলে, সে কোথাও যাবেনা সাফ জানিয়ে দেয়।এই ঘটনায় মৃত জলিলের পরিবারের লোকজনের মধ্যে সন্দেহ জাগে, ঘটনার সুষ্ঠ তদন্তে জলিলের পিতা সাহার আলী পুলিশ সুপার বরাবরে অভিযোগ দায়ের করেন।
এদিকে ঘটনার সত্যতা যাচাই কালে মাঝাপাড়া এলাকা র একাধিক ব্যাক্তি নাম না প্রকাশে জানান মমিনা বেগম ও পল্লি চিকিৎসক গোলাম রব্বানীর গোপন সম্পর্ক্যের কথা এলাকার মানুষের মুখে মুখে ছিল।
লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহলম জানান,মৃত জলিলের ভাই আঃ রশিদের একটি অভিযোগ আমরা পেয়েছি,ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত চলছে আদালতের নির্দেশ পেলে পরবর্তী ব্যাবস্থা গ্রহন করা হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: সফিকুল ইসলাম
লিটন মঞ্জিল, ভোলা-বরিশাল সড়ক, লক্ষ্মীপুর।
ফোন: +৮৮ ০১৭১২ ৯৭ ৫৬ ০৫,
ই-মেইল: nagorikkagoj@gmail.com
Copyright © 2026 Nagorik Kagoj. All rights reserved.