খোরশেদ আলম শিকদার, সোনাইমুড়ী (নোয়াখালী) প্রতিনিধিঃ
ধর্ষণ মামলার দুই আসামি পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে পলায়নের ঘটনায় নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী থানার তিন পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
বরখাস্তকৃতরা হলেন সোনাইমুড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই ফারুক হোসেন) কনস্টেবল আব্দুল কুদ্দুস ও নারী কনস্টেবল আসমা আক্তার।
বুধবার (১৮ আগস্ট) রাতে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মো. শহীদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) দীপক জ্যোতি খীসাকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট হাতে পেলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নোয়াখালী পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম বলেন, সোনাইমুড়ী থানার ধর্ষণ মামলার দুই আসামি পলায়নের ৮ঘন্টা পর এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত মো. দেলোয়ার হোসেন (৩০) উপজেলার বগাদিয়া গ্রামের সওদাগর বাড়ির মৃত মো. আবদুল লতিফের ছেলে। বুধবার (১৮ আগস্ট) রাত ১২টার দিকে ঢাকার কামরাঙ্গিচর থানা এলাকা থেকে ঐ থানা পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। পরে ধর্ষণ মামলার দুই আসামি পলায়নের ঘটনায় মুন্সিগঞ্জ জেলার গাজারিয়া থানায় মামলা করা হয়েছে। বর্তমানে তাকে গজারিয়া থানায় পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। অপর পলাতক আসামিকে গ্রেফতারে পুলিশী অভিযান অব্যাহত আছে।
উল্লেখ্য, আদালতের নির্দেশে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য বুধবার ধর্ষণ মামলার দুই আসামি ও ভিকটিমকে ঢাকার মালিবাগ সিআইডিতে নিয়ে যায় সোনাইমুড়ী থানা পুলিশ। পরীক্ষা শেষে ফেরার পথে বিকেল পৌনে ৪টার দিকে মুন্সীগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানা এলাকার হাইওয়ে রোডের আল মদিনা হোটেল এন্ড রেষ্টুরেন্টের টয়লেট থেকে পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে যায়। পলাতক আসামিরা হচ্ছে, সোনাইমুড়ীর বাট্টা গ্রামের মুজামিয়া বেপারী বাড়ির মৃত চাঁন মিয়ার ছেলে মো. জুয়েল (২৬) ও বগাদিয়া গ্রামের সওদাগর বাড়ির মৃত মো. আবদুল লতিফের ছেলে মো. দেলোয়ার হোসেন (৩০)।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: সফিকুল ইসলাম
লিটন মঞ্জিল, ভোলা-বরিশাল সড়ক, লক্ষ্মীপুর।
ফোন: +৮৮ ০১৭১২ ৯৭ ৫৬ ০৫,
ই-মেইল: nagorikkagoj@gmail.com
Copyright © 2026 Nagorik Kagoj. All rights reserved.