প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ২৫, ২০২৬, ১:৩৪ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ অক্টোবর ৫, ২০২১, ৫:২৫ পি.এম
চিপসের প্যাকেটে মিলছে হাজার টাকার নোট

আহসান হাবিব শিমুল, আদমদীঘি প্রতিনিধি:
আদমদীঘি উপজেলার গ্রামাঞ্চলের পান-বিড়ি ও মুদি দোকানে বিক্রি হওয়া একটি কোম্পানীর চিপসের প্যাকেটে মিলছে হাজার টাকার নোট। দুই ধরনের হাজার টাকার এই নোটের আকার-আকৃতি, রং, জলছাপ, ক্রমিক নম্বর ও গর্ভণর আতিউর রহমানের নাম ও স্বাক্ষরসহ সবকিছু হুবহু আসল নোটের সাথে মিল রয়েছে। তবে টাকার দুই পাশে লাল কালি দিয়ে লেখা রয়েছে “খেলনা টাকার নমুনা”। লাল কালি ব্যবহার করে খেলনা টাকার নমুনা লেখা অংশের নিচে ছোট্ট করে চিপস তৈরির প্রতিষ্ঠান নূর প্রোডাক্টস লেখা রয়েছে।
উপজেলার ছাতিয়ানগ্রাম বাজার এবং গ্রামাঞ্চলের স্কুল ও দাখিল মাদ্রাসার আশপাশের দোকানে টিকটক নামের চিপসের প্যাকেটে এই টাকা মিলছে বলে ছাত্রছাত্রীদের নিকট থেকে জানা গেছে। ছাত্রছাত্রীদের হাতে হাতে দেখা মিলছে এই টাকা। চিপসের প্যাকেটে টাকা মেলায় শিক্ষার্থীরা হুমড়ি খেয়ে পড়ছে নূর প্রডাক্টস নামের কোম্পানির চিপস কিনতে। সরেজমিন ঘটনার সত্যতা জানা গেলেও বিষয়টি নিয়ে হৈ চৈ শুরু হওয়ায় দোকানীরা ওই কোম্পানীর চিপস দোকান থেকে সরিয়ে ফেলেছেন।
নূর প্রডাক্টস বাজারে প্রচলিত দুই ধরনের যে খেলনা টাকা বানিয়েছে সেটা দেখতে অবিকল আসল টাকার মত। এই টাকা দিয়ে পড়া লেখা না জানা এবং অসচেতন মানুষদের সাথে প্রতারনার ঘটনা ঘটানো হতে পারে। খায়রুল ইসলাম নামের একজন শিক্ষক শ্রেফ মজা করার জন্য তাঁর দুইজন সহকর্মীকে আলাদা ভাবে ওই টাকা দিয়ে ভাঙতি নিয়েছেন খুব সহজেই। পরে তিনি তাঁর সহকর্মী দুইজনকে আসল ঘটনা জানানোর পর তাঁরা হতভম্ব হয়ে যান। তাঁরা বিষয়টি খতিয়ে দেখার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকসহ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
এ বিষয়ে আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্রাবণী রায় এবং থানার অফিসার ইনচার্য জালাল উদ্দীন গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, তাঁরা ঘটনাটি জেনেছেন এবং অবিকল টাকার মত খেলনা টাকা দেখেছেন। বিষয়টি নিয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে, এটি কিভাবে বাজারে এলো তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে ।
সম্পাদক ও প্রকাশক : মো: সফিকুল ইসলাম
লিটন মঞ্জিল, ভোলা-বরিশাল সড়ক, লক্ষ্মীপুর।
ফোন: +৮৮ ০১৭১২ ৯৭ ৫৬ ০৫,
ই-মেইল: nagorikkagoj@gmail.com
Copyright © 2026 Nagorik Kagoj. All rights reserved.