মতলবে যুব রাজনীতির আইকন কাজী মোঃ শরীফ

মো. আফজালুর রহমান, চাঁদপুর ।।

কাজী মো. শরীফ মতলব উত্তর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। আগামী প্রজন্মের রাজনৈতিক আইকন হিসেবে জনপ্রিয় একটি নাম হিসাবে ইতিমধ্যে নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন।

বঙ্গবন্ধুর আদর্শে লালিত মতলব উত্তরের স্বনামধন্য এক রাজনৈতিক পরিবারে জন্ম নেয়া শরীফ জয়বাংলা শ্লোগানকে বুকে ধারণ করে রাজনীতি করে যাচ্ছেন।

সেই ছোট কাল থেকেই ‘নৌকা’ শ্লোগানকে আপন করে পথ চলা শুরু কাজী শরীফ। বাল্যজীবন, ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে যৌবনে পদার্পনে সময় যার অর্জন আর সুখ্যাতি। আর এ অর্জন বর্তমানে বিস্তৃত হয়েছে মতলব উত্তরের প্রত্যেন্ত অঞ্চলে।

মোহনপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি থাকাবস্থায় বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের আমলে নানা অত্যাচার সহ্য করে কিশোর বয়সে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নে রাজপথে শ্লোগানের নেতৃত্ব দিয়েছেন। নৌকার কর্মী হওয়ার কারনেই পুলিশের হামলায় রাতকে রাত থাকতে হয়েছে নিজ বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র। তার পরও থেমে থাকেনি তার পথচলা।

কাজী মো. শরীফ ১৯৮৯ সালে মোহনপুর ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। পরে উপজেলা যুবলীগের আহবায়ক কমিটির সদস্য পদে নির্বাচিত হন। পরে কাউন্সিলিংয়ের মাধ্যমে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

মতলব উত্তর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করে গেছেন, সুসংগঠিত করেছেন উপজেলা যুবলীগকে। সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে ঝিমিয়ে পড়া, কোন্দলে জর্জরিত উপজেলা যুবলীগকে সুসংগঠিত করতে ছুটে যান উপজেলার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে। প্রতিটি ওয়ার্ডে সন্মেলনের মাধ্যমে নেতাকর্মীদের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহনে তৈরী করেন নতুন নেতৃত্ব। যাদের দলীয় কর্মকান্ডে আজ মতলব উত্তর উপজেলা যুবলীগ এখন প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি শক্তিশালী সংগঠন।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে উপজেলা পর্যায়ে মাসব্যাপী কর্মসূচী পালনের মাধ্যমে যুব সমাজের কাছে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে তুলে ধরেছেন ব্যতিক্রমভাবে।

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী প্রকাশিত হওয়ার পরপরই প্রতিটি ওয়ার্ডের নেতাকর্মীর হাতে এই বই তুলে দেয়ার মত গঠনমুলক কাজই যার নেতৃতের ব্যতিক্রম বৈশিষ্ট।

সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড তুলে ধরা সহ দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে অগ্রনী ভূমিকা পালন করছেন। যুবলীগের প্রতি ওয়ার্ডের কমিটির এখন অন্যান্য সংগঠনের চেয়ে শক্তিশালী। যার নিয়মিত সক্রীয়ভাবে বিভিন্ন কর্মসূচী পালনে সফলতা দেখিয়েছেন। এত কিছুর স্থলে একজনই তিনি কাজী মো. শরীফ।

কাজী শরীফ ২০০২ সালে মোহনপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে বিজয়ী হয়েও ফলাফল নিজের ঘরে তুলতে পারেননি। তৎকালিন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী কাশেম মাস্টারকে বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। সে নির্বাচনে ১১জন প্রার্থী অংশগ্রহণ করে।

কাজী শরীফ তার নিরলস পরিশ্রম আর সাংগঠনিক কার্যক্রমের ফলে মতলব উত্তরে পিছিয়ে পড়া যুবলীগকে জাগ্রত করে আজ শক্তিশালী যুবলীগে পরিণত হয়েছে। তার নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে মতলব উত্তর উপজেলা যুবলীগ উপজেলার এ প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে পর্যন্ত ছুটে সংঘবদ্ধ করে রাজপথে শক্তিশালী ও সাহসী ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন।

মতলব উত্তরের রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে কাজী শরীফকে দলীয় মনোনয়ন প্রদান করলেই আওয়ামী লীগের ঘাটি হিসেবে পরিচিত মোহনপুর ইউনিয়ন নৌকা প্রতীকের বিজয় সুনিশ্চিত করা সম্ভব।