বাইডেন মন্ত্রিসভার শীর্ষ ৬ সদস্যের নাম ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক ।।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বেসরকারি ফলাফলে জয়ী জো বাইডেন তার আসন্ন মন্ত্রিসভার শীর্ষস্থানীয় ৬ সদস্যের নাম ঘোষণা করেছেন।

গতকাল সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে কয়েকজনের নাম ঘোষণা করেন তিনি। বাইডেনের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ওই ছয় জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে বলে খবর দিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যমগুলো।

সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার পরিচালক হিসেবে নারী কর্মকর্তা অ্যাভ্রিল হাইনেসকে মনোনয়ন দিয়েছেন বাইডেন। সাবেক সিআইএ কর্মকর্তা অ্যাভ্রিল এর আগে ডেপুটি জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

পাশাপাশি, কিউবান বংশোদ্ভূত আলেহান্দ্রো মায়েরকাসকে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রী হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পেলে এই দুটি ক্ষেত্রে ইতিহাস গড়তে চলেছে বাইডেন প্রশাসন।

এছাড়াও, সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমলের একাধিক কর্মকর্তাকে মনোনয়ন দিয়েছেন বাইডেন।

মন্ত্রিসভায় জলবায়ুবিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরিকে। ওবামার আমলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি স্বাক্ষরে তার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।

নতুন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বে ওবামা আমলের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হিসেবে মনোনীত পেয়েছেন জ্যাক সুলিভান।

তারা দুজনই ২০১৫ সালে জন কেরির নেতৃত্বে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে ইরানের সঙ্গে ছয় জাতির পরমাণু চুক্তি স্বাক্ষরের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন।

জো বাইডেন মন্ত্রিসভার জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পেতে পারেন লিন্ডা টমাস-গ্রিনফিল্ড।

এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ক্ষমতা হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

এ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বিজয়ী জো বাইডেনকে একটি চিঠিও পাঠিয়েছে দ্য জেনারেল সার্ভিস এডমিনিস্ট্রেশন বা জিএসএ । জিএসএ প্রধান এমিলি মারফি ঐ চিঠিতে বাইডেনকে ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার জন্য বলেন।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও জো বাইডেনের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু করতে রাজি হয়েছেন। একটি টুইট বার্তায় তিনি বলেছেন, হস্তান্তর প্রক্রিয়া দেখভালের দায়িত্বে থাকা সংস্থার ‘যা করার প্রয়োজন করুক’।