করোনায় সুস্থ থাকতে স্বাস্থ্য সচেতনতা

শেখ আল মামুন,সাতক্ষীরা প্রতিনিধি ।।
করোনার সুস্থ থাকতে মেনে চলুন নিচের নিয়মগুলো-
১) মাস্ক পড়া, হাত ধোয়া এবং সামাজিক দূরত্ব দূরত্ব বজায় রাখা শুধুমাত্র এই তিনটি কাজই ভাইরাস থেকে রক্ষা পাবার সেরা পদ্ধতি।
২) গ্রীষ্মে ভাইরাসটি তার প্রভাব কমিয়ে দেয় এই কথাটি একদমই সত্য নয়।ভারত, ব্রাজিল এবং আর্জেন্টিনায় গ্রীষ্মকালেই ভাইরাসটি খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।
৩) অতিরিক্ত পরিমানে গরম জল পান করে তেমন কোন ধরণের লাভ নেই। কারণ পান করা গরম পানির উষ্ণতা, সেল ওয়ালে ঢুকে যাওয়া ভাইরাস এর কোনো ক্ষতি করতে পারেনা।
৪) যদি আপনার বাড়িতে কোভিড-১৯ রোগী না থাকে তবে বাড়ির মেঝে, দেয়াল, উপরিভাগের সব কিছুকে জীবাণুমুক্ত করার তেমন কোন প্রয়োজন নেই। নরমাল রুটিনে ঘরবাড়ি পরিষ্কার রাখলেই হবে।
৫) কার্গো প্যাকেজ, শপিং ব্যাগ, পেট্রোল পাম্প, শপিং কার্ট বা ব্যাংকের এটিএম মেশিন সংক্রমণ সৃষ্টি করে না। তাই এইসব মেশিন ব্যবহারের পর বারবার আপনার হাত ধুয়ে নিন এবং যথারীতি আপনার জীবন যাপন করুন।
৬) কোভিড-১৯ কোন খাদ্য সংক্রমণ এর মাধ্যমে ছড়ানো রোগ নয়। এটি ফ্লুর সংক্রমণের মতো হাঁচি কাশির ফোঁটাগুলির সাথে সম্পর্কিত। অর্ডার করা খাবার থেকে কোভিড-১৯ সংক্রমণ হওয়ার কোনও প্রমাণিত ঝুঁকি এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। আপনার অর্ডারকৃত খাবারগুলিকে আপনি নিশ্চিত হওয়ার জন্য চাইলে মাইক্রোওয়েভে কিছুটা গরম করে নিতে পারেন।
৮) অনেক অ্যালার্জি এবং অন্য ভাইরাল সংক্রমণ হলেও আপনার গন্ধ অনুভূতি হারাতে পারেন। গন্ধ না পাওয়া কোভিড ১৯-এর একটি অ-নির্দিষ্ট লক্ষণ, সু-নিদৃষ্ট লক্ষণ নয়।তাই গন্ধ না পেলে ভয় না পেয়ে ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে পরামর্শ নিন।
৯) কোভিড ১৯ ভাইরাসটি বেশিক্ষণ বাতাসে ভেসে থাকতে পারে না। এটি একটি ড্রিপ সংক্রমণ যার জন্যে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ প্রয়োজন। তাই আপনি খোলা পার্কের নির্মল বাতাসে অন্য মানুষের সাথে দূরত্ব বজায় রেখে ঘুরে আসতে পারেন।
১০) কোভিড ১৯ মানুষের জাতি বা ধর্ম বুঝে আক্রমন করেনা, যেকোন ধরণের যেকোন জাতির মানুষ এতে আক্রান্ত হতে পারে।
১১) অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বিশেষ সাবান ব্যবহার না করে কোভিড ১৯ এর বিপরীতে যেকোন সাধারণ সাবান ব্যবহার করাই যথেষ্ট। ভাইরাস কোনভাবেই ব্যাকটেরিয়া নয়।
১২) ভিনেগার, সোডা, আদার রস, বিভিন্ন হারবের রস জাতীয় জিনিষ পান ভাইরাস থেকে রক্ষা করেনা। বৈজ্ঞানিক কোন প্রমাণ নেই।
১৩) সারাক্ষন গ্লাভস পরে থাকা একটি ভুল ধারণা, ভাইরাসটি গ্লাভসে জমে থাকতে পারে, এবং তারপর নিজের অজান্তে আপনার মুখটি স্পর্শ করলে সহজেই সংক্রমণ হতে পারে।
১৪) রেস্টুরেন্ট কর্মীরা একটি গ্লাভস পরেই সব খাদ্য স্পর্শ করতে থাকে, এটি প্রায়শঃই বদলানো দরকার। সাধারণ মানুষদের জন্য গ্লাভসের বদলে বারবার হাত ধোওয়াই ভালো।
