লালমনিরহাটে কুড়িয়ে পাওয়া শিশুটির খোঁজ নিতে হাসপাতালে চেয়ারম্যান দম্পতি

মিজানুর রহমানঃ

লালমনিরহাটে কুড়িয়ে পাওয়া আলোচিত শিশুটির পাশে দাঁড়ালেন সদর উপজেলার চেয়ারম্যান ও তার সহধর্মিনী।পিতা মাতার স্নেহ বঞ্চিত শিশুটির খোঁজ নিতে সদর হাসপাতালে যান চেয়ারম্যান দম্পত্তি।

শুক্রবার (১৮ই ফেব্রুয়ারি) রাত ৮’৩০মিঃ লালমনিরহাট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সুজন ও তার সহধর্মিনী লিজা জামান লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে কুড়িয়ে পাওয়া আলোচিত শিশুটিকে দেখতে যান।সদর হাসপাতালের শিশু নিবির পরিচর্যা কেন্দ্রে ভর্তি শিশুটির স্বাস্থ্যের খোঁজ খবর নেন।শিশুটির দেখভালে দ্বায়িত্বে থাকা লালমনিরহাট সদর থানার মহিলা পুলিশ সদস্যা হাসনা হেনা,সদর হাসপাতালের দ্বায়িত্বে থাকা সেবিকা মিশু আক্তারের কাছে শিশুটির খোঁজ খবর নেন।শিশুটির জন্য নতুন শীতের কাপড়, তোয়ালে,নতুন জামা,শিশু খাদ্য,ফিডার দ্বায়িত্ব রত পুলিশ সদস্যার হাতে তুলে দেন,এসময় লিজা জামান শিশুটিকে  পরম মমতায় কোলে তুলে নিয়ে আদর করেন।

গত ১৪ই ফেব্রুয়ারি সকালে লালমনিরহাট শহড়ের কালিবাড়ী এলাকায় ময়লার ডাস্টবিন থেকে শিশুটিকে পুলিশ উদ্ধার করে।শিশুটির পরিচয় নিশ্চিত করতে পুলিশ কাজ শুরু করেছে।শিশুটিকে লালমনিরহাট সদর হাসপাতালে শিশু নিবির চর্চা কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।শিশুটির দেখভালের জন্য লালমনিরহাট সদর থানা পুলিশের মহিলা কনস্টেবল দিনরাত পালাক্রমে দেখ ভাল করছেন।শিশুটিকে দত্তক নেবার জন্য ইতিমধ্যে অর্ধশতাধিক দম্পত্তি ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন, এদের মধ্যে শিল্পপতি,ডাক্তার,সহ নানা পেশার মানুষ রয়েছে।

লালমনিরহাট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সুজন বলেন,সমাজে এধরনের ঘটনা আমাদের নৈতিক অধঃপতনের ইঙ্গিত বহন করে,আমি শিশুটির পিতামাতার প্রতি আপনাদের মাধ্যমে অনুরোধ করবো তারা যেন অতিস্বত্বর তাদের শিশুটিকে ফিরিয়ে নেন,প্রয়োজনে তাদের পরিচয় গোপন রাখা হবে,তাদের অবহেলায় একটি জীবন অনিশ্চয়তার মধ্যে যাচ্ছে।