লক্ষ্মীপুরে রান্না ঘরে অগ্নিসংযোগ, থানায় অভিযোগ

বিশেষ সংবাদদাতা।।

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চররুহিতা ইউনিয়নের চরমন্ডল গ্রামে রান্না ঘরে অগ্নিকান্ডে ঘটনায় প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে থানায় আভিযোগ দায়ের করেছে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার।

অভিযোগকারী ছিদ্দিক উল্যা(৭২) বলেন, গত ১৪ জুলাই বৃহস্পতিবার আমরা ঘুমাই রাত ৯ টার দিকে। উক্ত বিবাদীগন সু-কৌশলে রাত আনুমানিক ১ টার দিকে বাড়ির লোকজনের অগোচরে আমার রান্ন ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। এতে আমার ৫০ মন লাকড়ি, ১ টি সাইকেল ও একটি ছাগল পুড়ে গুরুতর আহত হয়। প্রকাশ থাকে যে উক্ত ছাগলের ২ টি বাচ্চাও ছিলো ঐ ঘরে। পরবর্তীতে ছাগলের চেঁচামেচি শুনিতে পাইয়া ঘুমথেকে জাগিয়া ঘটনাস্থলে গেলে আবদুল মান্নান গংরা আমাদের দেখিতে পাইয়া দ্রুত পালাইয়া যায়। আমাদের শোর চিৎকারে বাড়ির অন্যান্য লোকজনসহ আসিয়া সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আগুন নিভাই। বিষয়টি এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিদের জানাইয়া লক্ষ্মীপুর মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করি।

ছিদ্দিক উল্যা আরো বলেন, আবদুল মান্নান(৪৫) গংদের সাথে জায়গাজমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে উক্ত বিবাদী গণ বিভিন্ন সময়ে আশ্রাফি খাতুনের পুত্র ছিদ্দিক উল্যার পরিবারভুক্ত লোকজনকে হুমকি ধমকি এমনকি প্রানে হত্যা করার পায়তারা করেন। তিনি আরো বলেন আবদুল মান্নান আমার মালিকীয় ওয়ারীশীয় সম্পত্তিতে থাকা গাছপালা কাটিয়া বিনষ্ট করে। আমার মালিকিয় ও দখলীকৃত চরমন্ডল মৌজার ২০৫২ দাগ, ৪৮ খতিয়ান ভুক্ত ৪০ শতাংশ জমির অন্দরে ৬ শতাংশ জমিন নিয়ে এই বিবাদের সূত্রপাত। তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন আজ প্রায় দুই বছর যাবৎ আমি একটি টিনের ঘর করার জন্য যাবতীয় ব্যাবস্থা করে চাল খিল্লে এই আবদুর মান্নান সহ তার অপরাপর ভাইরা মিলে আমাকে আমারও বসত বাড়িতে ঘর করতে দেয়নি। যার কারনে খিলা চৌচালা টিনের ঘরটি বৃষ্টিতে ভিজে রোদে শুকায়ে মরিচা ও ঘুনে ধরে প্রায় একলক্ষ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি এলাকার চেয়ারম্যান সহ অনেকেরই জানা আছে।

এই বিষয়ে অভিযুক্ত আবদুল মান্নানের নিকট জানতে চাইলে তিনি আমাদের জানান ছিদ্দিক উল্যা গংরা আমাকে ফাঁসানোর জন্য নিজেরা ঘরে আগুন লাগিয়ে থানায় অভিযোগ করেছে। তিনি আরো বলেন একই দিন রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে আমার পাক ঘরেও আগুন লাগে। আপনার ঘরে আগুন লাগার বিষয়ে প্রশাসনকে অবহিত করেছেন কিনা জানতে চাইলে আবদুল মান্নান বলেন এলাকায় সমজতা হওয়ার আশ্বাসে তিনি প্রশাসনকে জানান নি।

এই বিষয়ে ছিদ্দিক উল্যার আনিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কর্তৃক দায়ীত্ব প্রাপ্ত তদন্ত কর্মকর্তা দালালবাজার পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ সহকারী -পুলিশ পরিদর্শক মোঃ শাহজাহানের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরজমিনে গিয়েছি সকল আলামত প্রত্যক্ষ করেছি।