দুমকিতে তাঁতী দল ও কৃষক দলের কমিটি নিয়ে ধোঁয়াশা

দুমকি(পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ
পটুয়াখালীর দুমকিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী তাঁতী দল ও কৃষক দলের সদ্য ঘোষিত আহবায়ক কমিটি নিয়ে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, উপজেলা কৃষক দলের আংশিক কমিটির নেতাদের কোন শোকজ বা নোটিশ না দিয়েই উপজেলা তাঁতী দলের আহবায়ক কমিটি নিয়ে কৃষক দলের আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সদ্য ঘোষিত উপজেলা কৃষক দলের আহবায়ক কমিটির একাধিক নেতা-কর্মীর সাথে আলাপকালে জানা যায়, তারা তাঁতী দল করতেন। কিন্তু উক্ত সংগঠনের জেলা নেতৃবৃন্দ তাদের তেমন কোন মূল্যায়ন করেন না বিধায় সংগঠনের নিয়ম মোতাবেক পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন বলে দাবি করেন।
অপর দিকে নিজকে এখনও কৃষক দলের উপজেলা সাধারণ সম্পাদক দাবী করে মোঃ রাসেল হাওলাদার এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, সংগঠনের নিয়মের বাইরে যদি কেউ কমিটি দিয়ে থাকে সেটা অবৈধ। অর্থ লেনদেনের মাধ্যমে আ. লীগের এজেন্ডা বাস্তবায়নকারীদের কমিটির বিষয়ে আমরা সিনিয়র নেতাদের সাথে কথা বলবো।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জেলা তাঁতী দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শাহিন বলেন, আমরা এখন পর্যন্ত দুমকি উপজেলা থেকে কোন পদত্যাগপত্র হাতে পায়নি।
উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি মোঃ খলিলুর রহমান বলেন, আমার মা অসুস্থ। তাই আমি ঢাকায়। আমি তো ছিলাম না। সাইফুল মৃধা (উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ) মনে হয় একটা কমিটিকে সুপারিশ করে দিছে।
তাঁতী দল থেকে পদত্যাগ করে কৃষক দলে সম্পৃক্ত হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, তাঁতী দল থেকে ওরা পদত্যাগ করছে কিনা এটা জেলা তাঁতী দল ভালো বলতে পারবেন। দেখলাম তো ওরা যে পদত্যাগ করছে তা ফেসবুকে দিয়েছে।
জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব মো. তারেকুল ইসলাম ইভান সিকদার বলেন, বরিশাল বিভাগীয় সাংগঠনিক মো. রফিকুল ইসলাম(জনতার রফিক) এর স্বাক্ষরিত প্রতিনিধি কাগজে দুমকিতে কোন কৃষক দলের কমিটি নেই।
এ কমিটি নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হওয়া নিয়ে জেলা বিএনপি’র সদস্য সচিব স্নেহাংসু সরকার ওরফে কুট্টি সরকারকে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দিয়ে পাওয়া যায় নি।
উল্লেখ্য, গত ৩১ জানুয়ারি (সোমবার) সৈয়দ আতিকুল ইসলামকে সভাপতি ও রাসেল হাওলাদারকে সাধারণ সম্পাদক করে জাতীয়তাবাদী কৃষক দল উপজেলা শাখার পাঁচ সদস্যের আংশিক কমিটি অনুমোদন দিয়েছিল তৎকালীন জেলা কমিটির আহবায়ক মো. আব্দুল লতিফ তালুকদার ও সদস্য সচিব আবদুর রহমান খন্দকার।
