দ্বিতীয় ধাপে ১৫ হাজার পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী দিলেন এইচ এম ইব্রাহিম এমপি

চাটখিল(নোয়াখালী)প্রতিনিধি।।
করোনা মহামারির সংক্রমণ ঠেকাতে সাধারণ ছুটি ও লকডাউনের কারণে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন লাখ লাখ শ্রমজীবী মানুষ। এসব অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়াতে ত্রাণ সহায়তা নিয়ে এগিয়ে আসেন নোয়াখালী-১ চাটখিল-সোনাইমুড়ী আসনের সংসদ সদস্য এইচ, এম ইব্রাহিম এমপি।
এখন পর্যন্ত চাটখিল-সোনাইমুড়ীর বিভিন্ন এলাকার প্রায় ২৫ হাজার পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছেন বলে জানান এই সাংসদ।
ব্যক্তিগত তহবিল থেকে নিয়মিত এই ত্রাণ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে জানান তিনি। তারই ধারাবাহিকতায় ২য় ধাপে সোমবার (১১ মে) সকাল ১০ টায় চাটখিল ও সোনাইমুড়ী উপজেলায় ১৫ হাজার অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণে তার পক্ষে ত্রান বিতরন করে চাটখিল উপজেলার নির্বাহী অফিসার দিদারুল আলম, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এইছ এম আবু তাহের ইভু, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান বাবর, যুবলীগের আহবায়ক বেলায়েত হোসেন।
ত্রাণের প্যাকেটে চাল-ডাল, তেলসহ রয়েছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, যা দিয়ে একটি পরিবারের এ্ক সপ্তাহ চলবে বলে জানান ত্রাণ পাওয়া মানুষরা। এর আগে তিনি এই মাঠেই প্রায় ১০হাজার পরিবারকে ত্রাণ সহায়তা দেন এইচ, এম ইব্রাহিম এমপি।
তিনি বলেন, “চাটখিল-সোনাইমুড়ীর ওয়ার্ডে বিভিন্ন সংগঠনের সহযোগিতায় প্রতিটি ঘরে ঘরে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিচ্ছেন তারা।
আমার নিজের উদ্যোগে কর্মহীন হয়ে পড়া মানুষদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেছি। ত্রাণের পাশাপাশি নগদ অর্থ দিয়েও সহায়তা করছি”।
তিনি বলেন, করোনায় স্থবির হয়ে পড়েছে গোটা বিশ্ব, আক্রান্ত বাংলাদেশেও থমকে গেছে জীবন-জীবীকার চাকা। কর্মহীন হয়ে পড়েছেন লাখ লাখ মানুষ। বিশেষ করে অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতের শ্রমিকদের অবস্থা শোচনীয়। হতদরিদ্রদের তালিকায় যুক্ত হচ্ছে করোনায় দরিদ্র হয়ে পড়া মানু্ষও। সরকারের পাশাপাশি বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
তিনি আরো বলেন, সবার সহযোগিতা ছাড়া এই মহাদুর্যোগ থেকে সরকার একা মানুষকে পরিত্রাণ দিতে পারবে না। সাধারণ ছুটি শুরু হওয়ার পর থেকেই কার্যত কর্মহীন হয়ে পড়েন দিন এনে দিন খাওয়া মানুষ। তখন থেকেই তাদের পাশে দাড়াতে ত্রাণ সহায়তা দিয়ে যাচ্ছেন তিনি।
জনপ্রতিনিদের বাদ দিয়ে আমলাদের দিয়ে সরকারের ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এর ফলে সুষ্ঠুভাবে ত্রাণ বিতরণ সম্ভব হবে। কারণ জনপ্রতিনিধিরা যেখানেই যান, সেখানেই কর্মী-সমর্থকসহ ব্যাপক জনসমাগম হয়ে যায়।আর এখন সময়টা ভিন্ন।বলেন “আমাদের সামাজিক দূরত্ব মানতে হবে, স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে, অন্যথায় এই ত্রাণের সাথে করোনাভাইরাসও ছড়িয়ে যাবে”।
মানুষের জীবন-জীবীকা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তাঁর এ্ই সাহায্য কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। আর যারা ব্যক্তিগত উদ্যোগে মানুষের পাশে দাড়াচ্ছেন তাদেরকেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান এইচ, এম ইব্রাহিম এমপি।
