বিশ্ব কুদস দিবস সম্পর্কে ইমাম খোমেনী (রহ.) যা বলেছিলেন

শেখ আল মামুন,সাতক্ষীরা।।

ইহুদিবাদীদের কবল থেকে মুসলমানদের প্রথম কিবলা আল কুদস তথা আল আকসা মসজিদকে মুক্ত করার প্রত্যয় নিয়ে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের স্থপতি ইমাম খোমেনী (রহ.) ১৯৭৯ সালে পবিত্র রমযানের শেষ শুক্রবারকে ‘বিশ্ব কুদস দিবস’ হিসেবে পালনের ঘোষণা দেন। তাঁর আহ্বানে সাড়া দিয়ে তখন থেকে প্রতি বছর রমজান মাসের শেষ শুক্রবার বিশ্ব কুদস দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। 

বিশ্ব কুদস দিবস পালন সম্পর্কে তিনি বলেছিলেন, “কুদস দিবস কেবল ফিলিস্তিনিদের দিবস নয়। এটি এমন একটি দিবস যে, বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদী শক্তিগুলোকে এটা বুঝিয়ে দেয়া, তারা আর কোনো মুসলিম ভূখণ্ডকে এভাবে গ্রাস করতে পারবে না।”

কুদস দিবসের গুরুত্ব তুলে ধরতে গিয়ে ইরানের ইসলামী বিপ্লবের এই মহান নেতা বলেন “কুদস দিবস একটি বিশ্ব দিবস। দিবসটি কেবল কুদসের মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়। এই দিবস বলদর্পী শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে শোসিত-বঞ্চিত-নিপীড়িত জনতার দবস। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য দেশের জুলম অত্যাচারে যেসব দেশ পিষ্ট হয়েছে তাদের রুখে দাঁড়ানোর দিবস। এই দিবস বলদর্পীদের বিরুদ্ধে নিগৃহীতদের সুসজ্জিত হবার দিবস।”

ইমাম খোমেনী (রহ) আরও বলেছিলেন. “কুদস দিবস এমন একটি দিবস যে দিবসে অসহায় ও দুর্বল জাতিগুলোর ভাগ্য সম্পর্কে অবহিত হওয়া উচিত, উচিত বলদর্পী শক্তিগুলোর বিরুদ্ধে দুর্বল জাতিগুলো নিজেদের অস্তিত্বের ঘোষণা দেওয়া। ইরানী জাতি যেভাবে বলদর্পীদেরকে নাকে খৎ দিয়ে ছেড়েছে, তেমনিভাবে সকল জাতির উচিত বলদর্পীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এবং অনৈতিকতার শেকড় উপড়ে ফেলা।”

তিনি বলেন, “বিশ্ব কুদস দিবস পালনের মাধ্যমে আমরা বলদর্পী শক্তিগুলোকে এমন একটি হুঁশিয়ারি সংকেত দিতে চাই যে তারা মুসলমানদের ওপর আর আধিপত্য বিস্তার করতে পারবে না এবং কুদস দিবস বিশ্ব মুসলমানদের প্রেরণা ও বেঁচে থাকার দিবস।”