১০ই জুন চালু হচ্ছে বুড়িমারি স্থল বন্দরের আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম

মিজানুর রহমান,লালমনিরহাট প্রতিনিধি।।
লকডাউনের কারনে কার্যক্রম বন্ধ থাকায়, ১০ই জুন পূনরায় চালু হচ্ছে বুড়িমারি স্থল বন্দরের আমদানী রপ্তানি কার্যক্রম।বন্দর কে ঘিরে সকল আমদানি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান, সিএন্ডএফ এজেন্ট,লোড আনলোড লেবার, পরিবহন ব্যাবসায়ী সকলেই সন্তষ্ট এই সিদ্ধান্তে।
রবিবার ০৮ই জুন সকাল ১১টায় লালমনিরহাট জেলার বুড়িমারি স্থল বন্দরের শূন্য রেখায়, ভারত এবং বাংলাদেশের আমদানি রপ্তানিকারক ব্যাবসায়ীদের এক বৈঠকে,আগামী ১০ জুন থেকে বুড়িমারি বন্দরে আমদানি রপ্তানি পুনরায় চালু করার যৌথ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি এবং ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ এর প্রতিনিধি উপস্থিতিতে দুই দেশের ব্যাবসায়ী বৃন্দ এই বৈঠকে মিলিত হন। বুড়িমারি স্থল বন্দর আমদানি রপ্তানিকারক এসোসিয়েশন সভাপতি রুহুল আমিন বাবুলের নেতৃত্বে দশ সদস্যের ব্যাবসায়ী নেতৃবৃন্দ এবং ভারতের চ্যাংড়াবান্ধা আমদানি রপ্তানিকারক এসোসিয়েশন সভাপতি বিমল সাহার সাথে দশ সদস্যের ব্যাবসায়ী প্রতিনিধি বৈঠকে মিলিত হন।এছাড়া দুই দেশের কাষ্টমস ক্লিয়ারিং ফরোয়াডিং সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশন নেতৃবৃন্দ,কাষ্টমস কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি,পরিবহন ব্যাবসায়ী,লোড আনলোড লেবার এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।বৈঠকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে পন্যবাহী ট্রাকের চালক, হেলপারদের হ্যন্ড স্যানিটাইজ সঙ্গে রেখে বন্দরে প্রবেশ এবং বের হওয়া,সেই সঙ্গে বন্দরকে ঘিরে কর্মরত সকলের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে বন্দরের আমদানি রপ্তানি চালুর ব্যাপারে উভয় পক্ষ একমত হন।
বৈশ্বিক মহামারি করোনা দূর্যোগ মোকাবেলায় ভারত তার সকল সীমান্ত বানিজ্য বন্ধ করতে ২২মার্চ সাময়িক নিষেধাজ্ঞা জারি করে।ফলে ভারত,বাংলাদেশ,নেপাল,ভুটান চারটি দেশের সাথে সীমান্ত বানিজ্য বন্ধ হয়ে যায় বুড়িমারি বন্দর দিয়ে।এতে চারটি দেশের আমদানী রপ্তানিকারক, পরিবহন ব্যাবসায়ী,সিএন্ডএফ এজেন্ট,লোড আনলোড লেবার সহ হাজার হাজার মানুষ কর্মহীন হয়ে পড়েন।স্থানীয় অর্থনীতি সহ জাতীয় অর্থনীতি এতে প্রভাব পড়ে।ভারত বাংলাদেশ ব্যাবসায়ীদের উদ্দোগে বুড়িমারি স্থল বন্দর আমদানি রপ্তানি চালু হতে যাচ্ছে ১০ জুন থেকে।এতে বন্দর কে ঘিরে সকল আমদানি রপ্তানিকারক,ব্যাবসায়ী,হাজার হাজার লেবার এই সিদ্ধান্তে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।
