করোনার ভয়কে পিছনে ফেলে প্রবাসীদের সেবায় ওমানে দূতাবাস কর্মকর্তা লেলাংয়ের মাসুদ করিম

সাজ্জাদ চৌধুরী।।
মাসুদ করিম একজন সরকারি কর্মকর্তা। মধ্যপ্রাচ্যের ওমানস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের মানবিক কর্মকর্তা।মোহাম্মদ মাসুদ করিম চট্টগ্রাম ফটিকছড়ি উপজেলার লেলাং ইউনিয়নের গোপালঘাটা গ্রামের কৃতি সন্তান।
সারা বিশ্বে যখন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মানুষ মরছে। এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের ওমানে বাংলাদের প্রবাসীদের খাদ্য সংকট করোনার চিকিৎসা দেশে ফেরানো মৃত ব্যক্তির লাশ দেশে হস্তান্তর এমন অসংখ্য মানবিক কাজ করোনার ভয়কে জয় করে মানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখছেন।
জানা যায়,ওমানে মানবতার ফেরীওয়ালা নামে খ্যাত বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাসুদ রানা করোনা পরিস্থিতিতে কখনো খাদ্য,কখনো অর্থ,আবার কখনো দেশের জন্মভূমির অসহায় গরীব বাংলাদেশী শ্রমিকদের কাছে ভালবাসার উপহার খাদ্য বিতরন করে আসছেন।
মহামারি করোনা আক্রান্তে যারা ওমানের বিভিন্ন হাসপাতলে চিকিৎসাধীন আছেন প্রতিনিয়ত তিনি খোজখবর নিয়ে চলছেন।সবসময় তিনি তাদের পাশে আছেন এবং থাকবেন।যারা করোনা আক্রান্তে মৃত্যু বরন করেছেন তাদের তিনি কাপন দাপনের ব্যাবস্থা করে দিয়েছেন।
বিভিন্ন ভাবে যে সকল শ্রমিকরা মৃত্যু বরন করছেন তাদের মরদেহ দেশে পাঠানোর জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করে তাদের জন্য দূতাবাসে র ও ওমান সরকারের অফিসিয়াল কাগজ পত্র তৈরি করে মাতৃভুমিতে পৌছে দেবার ব্যবস্থা করেছেন৷এমন কি বেশ কয়েকজনের মরদেহ তিনি নিজ খরছে দেশে পৌছে দেয়ার ব্যবস্থা করেন।
অনেক অসহায় শ্রমিকদের তিনি বিভিন্ন জায়গায় চাকরির ব্যাবস্থা করে দেন।প্রতিদিন দূতাবাসে শত শত শ্রমিকরা আসেন বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য,জনাব মাসুদ সাহেব তাদের সমস্যার সমাধান অতি দ্রুততম সমাধানের চেষ্টা করে যাচ্চেন।
এ মহামারি করোনায় দেশে যখন মানুষ কর্মহারা হয়ে গৃহবন্দী অবস্থায জীবন যাপন করছেন তিনি তার এলাকায় শত শত অসহায়,গরীব খেটে খাওয়া পরিবারের ঘরে ঘরে পৌছে দিয়েছেন উপহার খাদ্য সামগ্রি।
তিনি একজন নিরব সমাজ সেবক।তিনি এলাকার কোন মানুষ দুঃখ কষ্টে আছে শুনলে সাথে সাথে তিনি নিজে ফোন করে তাদের খোজ খবর নিয়ে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন।
