কালারমারছড়া মঈনুল ইসলাম আলিম মাদ্রাসার ভবণ নিমার্ণসহ বিভিন্ন খাতে অনিয়ম ও দুনীতির অভিযোগ

মোঃ সাহাব উদ্দিন,কক্সবাজার প্রতিনিধি।।

কক্সবাজারের মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া নোনাছড়ি মঈনুল ইসলাম আলিম মাদ্রাসার ভবন নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। জানা যায় শিক্ষা প্রকৌশলি অধিদপ্তর হতে প্রাপ্ত কোটি টাকা বাজেটের ভবন নির্মাণে নিম্ন মানের বালি ও কংক্রিট দিয়ে ভবণের ছাদ ঢালাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। 

ভবন নির্মাণের দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদারের সাথে অত্র মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মৌলভী মুবিনুল হকের যোগসাজশে  এসব অনিয়ম দুর্নীতি মাথা চাড়া দিয়ে উঠেছে বলে জানিয়েছেন নির্ভরযোগ্য সূত্র।  কারণ হিসেবে জানাগেছে, কাজের দায়িত্বপ্রাপ্তদের ঠিকাদারি প্রতিষ্টানের লোকজন অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে নয় ছয় করে ভবন নিমার্ণের কাজ চালিয়ে গেলেও অত্র মাদ্রাসার অধ্যক্ষ নিশ্চুপ থাকায় অনেকে বলছে এটা পুকুর চুরি নই, সাগর চুরি বলতে হবে।

জানাযায়, ভবনটি নির্মাণের জন্য সিডিউল অনুযায়ী  উন্নাত মানের বালি ব্যবহার করার কথা থাকলে ও উপজেলার কালারমারছড়া নোনাছড়ি আলিম মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মৌলভী মুবিনুল হক পাশ্ববর্তী ছড়া থেকে সাব-ঠিকাদার হিসেবে কাজ নিয়ে কাঁদা ময়লাযুক্ত বালি সরবরাহ করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্মমানের কংক্রিট ও।

ফলে ভবনের টেকসই কতটুকু হবে তা নিয়ে জনমনে সংশয় দেখা দিয়েছে। এখানে শেষ নই, অধ্যক্ষ মুবিনুল হক মাদ্রাসার ভাউন্ডারী ভিতরে অবস্থিত পাহাড়ের মাটি বিক্রি, গাছ বিক্রি, মাসিক ফিঃ, জমি লাগিয়তসহ ইত্যাদি আয় কালামনার ক্যাশ (সরকারী আয় ব্যয়) হিসাবে উল্লেখ থাকা বাধ্যমূলক। বছরে লাখ লাখ টাকা গাছ বিক্রি,মাটি বিক্রি ও জমি লাগিয়তের টাকা সরকারী আয় ব্যয়ের হিসাবে উল্লেখ না করে বছরের পর বছর এমনও তথ্য পাওয়া গেছে। ফলে আয়ের লাখ লাখ টাকা তিনি পকেটেস্থ করেছে বলে জনশ্রুতি আছে। যার কারণে দুর্ণীতি অভিযোগ উঠেছে উক্ত ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। এসব দুর্নীতির  বিরুদ্ধে তার পিতা অধ্যক্ষ থাকাকালীন বিভিন্ন সময় সংবাদ মাধ্যমে ও খবর প্রকাশিত হয়েছিল।  তার পিতা অধ্যক্ষের পথ থেকে অবসরে চলে গেলে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর মুবিনুল হক মাদ্রাসাটিকে পৈত্রিক সম্পত্তি মতো একের পর এক দুর্নীতির খতিয়ান দীর্ঘ করলে ও সংশ্লিষ্টরা রয়েছে নির্বিকার। এছাড়াও মাদ্রাসার নিয়মিত কমিটি বর্তমানে নাই।

জানাগেছে, মহেশখালী উপজেলার নিষ্ঠাবান নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ জামিরুল ইসলাম বার বার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে নতুন কমিটি করার তাগিদ দিলেও তিনি লুকেচুরি করে দিন কাটাচ্ছে বলে ও জানা গেছে। যদি কমিটি হলে নতুন অধ্যক্ষ নিয়োগ হয় তার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের পথ হারাবে ভয়ে। তার পিতা অবসরে চলে যাওয়া মৌলভী সলিম উল্লাহ উক্ত মাদ্রাসায় চাকরি করাকালীন সময়ে সরকারী আয় ব্যয়ের হিসাবে উল্লেখ করতেননা।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে কালারমারছড়া নোনাছড়ি আলিম মাদ্রাসার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যক্ষ মৌলভী মুবিনুল হক ভবণ নির্মাণ কাজে কোন অনিয়ম হলে তিনি জড়িত নই বলে জানিয়ে বিভিন্ন বিষয়ে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে জানান। মহেশখালী শিক্ষা প্রকৌশলি অধিদপ্তরের দায়িত্ব থাকা উপ-সহকারী প্রকৌশলী বাপ্পারাজ বলেন, কোন ধরণের নিম্মমানের কাজ চলতেছেনা। তার পরেও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।