স্বীকৃতি পাওয়ার আশু সংকেত পেলো বশেমুরবিপ্রবি ছাত্রলীগ

রিফাত ইসলাম,বশেমুরবিপ্রবি প্রতিনিধি।।
সম্প্রতি ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক ফোরাম’ আয়োজিত “বশেমুরবিপ্রবিসাফো আলাপন” শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানের একটি পর্বে বশেমুরবিপ্রবি ছাত্রলীগের মাঠকর্মী মোঃ মাহাদী হাসান বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানের নিকট বশেমুরবিপ্রবি ছাত্রলীগের কমিটি না থাকার বিষয়ে দুঃখ প্রকাশ করলে
তিনি বলেন,”বাংলাদেশের ছাত্রলীগের কার্যনির্বাহী সংসদ বশেমুরবিপ্রবি ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে ইতিপূর্বেই ভেবেছে। করোনা পরিস্থিতি তৈরি না হলে এতদিনে নিশ্চয়ই এবিষয়ে সিদ্ধান্ত হতো, গত মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে দিকে রাজধানীর গুলিস্তানের পার্টি অফিসে যে সকল ইউনিটের কমিটি হয় নাই এবং কিছু কমিটি আছে সেগুলো বেশ কিছু দিন ধরে পুর্নাঙ্গ হবার অপেক্ষায় আছে সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়। সেই আলোচনায় সর্বাগ্রহে প্রথম দুই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটের মধ্যে স্থান পেয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কমিটির বিষয়টি।”
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সম্মানিত সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য এই বিষয়ে ইতিবাচক এবং তাদের সদিচ্ছার কমতি নেই বশেমুরবিপ্রবি ছাত্রলীগের কমিটি দেবার বিষয়ে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের সাথে আমরা দেখতে পাই যে, আমাদের এই উদ্যোগ গ্রহণের পরপরই সারা বিশ্বজুড়ে যেই করোনা মহামারী শুরু হয় তার ছোয়া বাংলাদেশেও লেগেছে এমতাবস্থায় বাংলাদেশের একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের আদর্শ কর্মি হিসেবে কারো কাছেই কমিটি গঠন জনসাধারণের পাশে দাড়ানো বা করোনা প্রতিরোধের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নয়। এক্ষেত্রে করোনা ও আম্ফানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ যেভাবে কাজ করে যাচ্ছে এটাই আসলে ছাত্রলীগের নীতি, ধর্ম, আদর্শ। এটাই আসলে বঙ্গবন্ধু জীবন দর্শন থেকে পাওয়া প্রকৃত শিক্ষা বলে মনে করি।”
এবিষয়ে আশার বানী শুনিয়ে তিনি বলেন,”করোনা মহামারী শেষে যখনই আলোর দিশা মিলবে ঠিক তখনই বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে বশেমুরবিপ্রবির সৎ, যোগ্য, ক্যাম্পাসে জনপ্রিয় এবং শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ে যিনি সচেষ্ট থাকবেন, এমন নেতাদের দিয়েই একটি সুন্দর সুশৃঙ্খল কমিটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ উপহার দেবে এটা বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের পক্ষ থেকে শতভাগ আশ্বস্ত করছি।”
একইসাথে তিনি বশেমুরবিপ্রবি সাংবাদিক ফোরামের ও ফোরাম আয়োজিত আলোচনা অনুষ্ঠানের প্রশংসা করেছেন এবং এরকম গঠনমূলক আলোচনা অনুষ্ঠান ভবিষ্যতেও চালু রাখার আহবান জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য যে, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের এখন পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃত কোন কমিটি না থাকলেও স্বতঃস্ফূর্তভাবে শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের পাশাপাশি দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে, করোনা ও আম্ফান ইস্যুতে দেশ ও দেশের মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়িছেন।যা অত্যন্ত প্রশংসার দাবি রাখে।
