লালমনিরহাটে নদী ভাঙনের খবর পেয়ে রাতেই বস্তা ফেলানো শুরু করলেন উপজেলা চেয়ারম্যান সুজন

মিজানুর রহমান,লালমনিরহাট প্রতিনিধি।।

লালমনিরহাট সদর উপজেলার রাজপুর ইউনিয়নে তিস্তা নদীর স্পার বাঁধে ভাঙন শুরু হবার খবরে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে ইউনিয়ন বাসী, খবর পেয়ে রাতেই ছুটে যান সদর উপজেলার চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সুজন,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম রায়,পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম।

বৃহস্পতিবার ১০সেপ্টম্বর রাতে তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায়,নদী ভাঙন রোধে নির্মিত ৩নং স্পার বাঁধের মাটি সরে গিয়ে তীব্র ভাঙন শুরু হয়।এতে রাজপুর ইউনিয়নের তিস্তা পাড়ের মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

খবর পেয়ে রাতেই ছুটে যান লালমনিরহাট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সুজন, লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম,লালমনিরহাট উপজেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম রায়।ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে রাজপুর ইউনিয়নের হাজার হাজার একর ফসলি জমি, বসতি রক্ষার্থে তাৎক্ষনিক জিআই ব্যাগে বালি ভরে ভাঙন এলাকায় ফেলানোর উদ্যোগ নেন।

রাতেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম তার দপ্তরের কর্মকর্তাদের মাধ্যমে জরুরী ভাবে জিআই ব্যাগ ব্যাবস্থা করে দেন।রাজপুর ইউনিয়নের তিস্তা পাড়ের মানুষের সহযোগিতায় রাতেই তাৎক্ষনিক ভাবে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সুজন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম রায় নিজ হাতে কোদাল দিয়ে বস্তায় বালি ভরাট করে নদীর ভাঙন কবলিত এলাকায় ফেলা শুরু করেন।

এবারই প্রথম নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি কামরুজ্জামান সুজন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উত্তম রায়ের দ্বায়িত্ব কর্তব্য দেখে রাজপুর বাসী উৎফুল্ল হন।

রাজপুর ইউনিয়ন আওয়ামিলীগ সভাপতি শ্রী দয়াল চন্দ্র বাবু এই প্রতিবেদক কে বলেন জনগনের পাশে এমন জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তা পেয়ে আমরা সদর উপজেলা বাসী ধন্য।রাতে এই রিপোর্ট লেখা সময়কালে বালি বস্তায় ভরাট করে ভাঙন কবলিত এলাকায় ফেলানো অব্যাহত ছিল।