কালীগঞ্জে লাশ নিয়ে সড়ক অবরোধ, মন্ত্রীর আশ্বাসে ফিরে গেলেন অবরোধকারীরা

মিজানুর রহমান,লালমনিরহাট প্রতিনিধি ।।
লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলা বাসস্ট্যান্ডে খলিল নামক এক শ্রমিকের লাশ নিয়ে সড়ক অবরোধ করে এলাকা বাসী, সমাজ কল্যান মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদের আশ্বাসে তিন ঘন্টা পরে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।এ সময় শত শত যানবাহন রাস্তার দুধারে আটকা পড়ে।

মঙ্গলবার(২৭ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলা বাসস্ট্যান্ডে বিক্ষুব্ধ জনতা খলিল নামক এক শ্রমিকের লাশ নিয়ে সড়ক অবরোধ করে,এ সময় সড়ক অবরোধ কারীরা উত্তর বাংলা ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি প্রভাষক এস তাবাস্মুম রায়হান মুনতাজীর তামান্না কে গ্রেফতার,তামান্নার দায়েরকৃত সকল মামলা প্রত্যাহার সহ কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আরজু মোঃ সাজ্জাদ হোসেনের অপসারণ চেয়ে শ্লোগান দেন।

তারা জানান, উত্তর বাংলা ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক একজন দুঃশ্চরিত্রা মহিলা, তিনি ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে এলাকার নিরীহ ব্যক্তিদের নামে মিথ্যে মামলা করে অনেক কে হয়রানি করে আসছেন,তার এই কাজে সহযোগীতা করে আসছে কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আরজু মোঃ সাজ্জাদ হোসেন।ইতিপূর্বে এই তামান্না লালমনিরহাট জেলায় কর্মরত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসান কে বউ থাকা স্বত্বেও প্রেমের জালে ফাঁসিয়ে বিয়ে করেন।তামান্নার এসব কার্যকলাপের জন্য তাকে ডিভোর্স দেন মেহেদী হাসান।বর্তমানে ঐ তামান্নার সাথে ওসি আরজু মোঃ সাজ্জাদ হোসেনের গোপন দহরম মহরম থাকায় তাকে ব্যবহার করে এলাকা বাসী নিরীহ জনগন কে হয়রানি করছেন তামান্না।এরই প্রতিবাদে এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করে আজ।

ঘটনার সুত্রে জানা যায় মৃত খলিল তামান্নার হয়রানি মামলার হাজিরা দিতে কোর্টে যাবার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হয়ে, চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার মারা যায়। এলাকা বাসীর ধারনা খলিল কে পরিকল্পিত ভাবে তামান্না হত্যা করেছে,তারই জেরে কালিগঞ্জ উপজেলার কাশীরামপুর এলাকার কয়েকশত মানুষ সড়ক অবরোধ করে।

এই ঘটনায় প্রথমে এসি ল্যান্ড জাহাঙ্গীর হোসেন পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম অবরোধ তোলার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।পরে ১২-৪০মিঃ সমাজ কল্যান মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ ঘটনাস্থলে আসেন,তিনি সেখানে চল্লিশ মিনিট অবস্থান গ্রহণ করে বিক্ষুব্ধ অবরোধ কারীদের কথা শুনে তা বাস্তবায়নের আশ্বাস দিলে দুপুর দেড়টায় অবরোধকারীরা অবরোধ তুলে নেন।