সান্তাহার পৌরসভা নিবার্চনে তিন দলের মেয়র পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী-১১

আহসান হাবিব শিমুল,আদমদীঘি(বগুড়া) প্রতিনিধি ।।
সান্তাহার পৌরসভায় গত নির্বাচন হয়েছিলো ২০১৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর। শপথ গ্রহন হয় ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৬। সে হিসাবে এই পৌরসভায় নির্বাচন ফের ডিসেম্বরে হবে এমন ধারনা থেকে মেয়র ও সাধারণ কাউন্সিলর এবং সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলর পদে দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার জন্য মনোনয়ন প্রত্যাশীরা নেতাদের দুয়ারে দৌড়ঝাঁপ করার সাথে সাথে আগাম গণসংযোগ ও শো-ডাউন দিয়ে আসছেন গত দুই মাস ধরে। মনোনয়ন প্রত্যাশীরা নিজেদের এবং নিজ নিজ দলের নেতাদের ছবি সম্বলিত পোস্টার লাগিয়ে গোটা পৌর এলাকা ছাপিয়ে ফেলেছেন। ফলে পৌর এলাকার পাড়া-মহল্লা, হোটেল আর চায়ের দোকানে শুধুই ভোট সংক্রান্ত আলাপ আলোচনা। ভোটারদের মধ্যে নির্বাচনী আমেজ বিরাজ করছে।
সম্ভাব্য প্রার্থীরা ভোটারদের সমর্থন পাওয়ার জন্য আগাচ্ছেন নানা কৌশলে। কোনো পাড়া মহল্লায় মৃত্যু সংবাদ পেলেই ছুটছেন মৃতের বাড়ীতে; ভোটারদের বোঝাতে চাইছেন তিনি কতটা জনদরদী। মেয়র পদে দলীয় প্রতীকে নিবার্চন হবার কারনে নিজ নিজ দলের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা দৌড়াচ্ছেন উপজেলা, জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতাদের দুয়ারে। মেয়র পদে আওয়ামীলীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টির কে মনোনয়ন পাচ্ছেন তা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা-কল্পনা।
আওয়ামীলীগের মেয়র পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী হিসাবে রয়েছেন ৫ জন। এরা হলেন নব্বই দশকের ছাত্রলীগের তুখোর নেতা বর্তমান পৌরসভার প্যানেল মেয়র জার্জিস আলম রতন, গত নির্বাচনে সামান্য ভোটে পরাজিত আদমদীঘি উপজেলা শ্রমিকলীগের আহবায়ক রাসেদুল ইসলাম রাজা, সান্তাহার ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আশরাফুল ইসলাম মন্টু এবং বগুড়া জেলা পরিষদের সদস্য এস,এম জাহিদুর বারী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আনছার আলী।
বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ৪ জন হলেন, বর্তমান মেয়র তোফাজ্জল হোসেন ভুট্টু, সান্তাহার পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান ফিরোজ মোঃ কামরুল হাসান, জাতীয়তাবাদী নির্মান শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফরিদ আহমেদ ও ছাত্রদলের সাবেক নেতা মতিউর রহমান টিটু। জাতীয় পাটির দুই মনোনয়ন প্রত্যাশী হলেন ফেরদৌস হাসান সুমন ও আব্দুল লতিফ।
১৯৮৮ সালে স্থাপিত এই পৌরসভায় বর্তমান ভোটার সংখ্যা ২৬ হাজার ১৭২ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১২ হাজার ৮০৪ জন আর নারী ভোটার ১৩ হাজার ৩৬৮ জন।
