অবৈধভাবে দখল হওয়া খালের দুই পাশ দখলমুক্ত করা হবে: এলজিআরডি মন্ত্রী তাজুল ইসলাম

বিশেষ প্রতিনিধি ।।
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম বলেছেন, রাজধানীর খালসমূহের ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার করার পাশাপাশি খালের দুই পাশ অবৈধভাবে দখল করে নির্মিত সকল ধরনের অবকাঠামো উচ্ছেদ করা হবে।
দুই সিটি করপোরেশনের মেয়র, কাউন্সিলর, প্রশাসনসহ সর্বস্তরের মানুষকে সাথে নিয়ে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একাজ সম্পন্ন করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।
তিনি বুধবার(৩ মার্চ) ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ‘অন্তর্বর্তীকালীন বর্জ্য স্থানান্তর কেন্দ্রের (এসটিএস) উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।
এর আগে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসকে নিয়ে সিটি কর্পোরেশনের অধীন নন্দীপাড়া ব্রিজ (জিরানী খাল), সুখ নগর ব্রিজ (খিলগাঁও-বাসাবো খাল, জিরানী খাল, মান্ডা খাল ও সেগুনবাগিচা খালের সংযোগস্থল), পাম্প স্টেশন, কমলাপুর (টিটিপাড়া) বহি:গমন বিশ্বরোড কমলাপুর খাল, শ্যামপুর খাল এবং পান্থকুঞ্জ পার্ক বক্স কালভার্ট পরিদর্শন করেন মন্ত্রী।
এলজিআরডিমন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, ওয়াসার নিকট হতে কাল হস্তান্তরের পর থেকেই ঢাকা দক্ষিণ ও উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র চ্যালেঞ্জ নিয়ে কাজ করছেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই দুই মেয়র খালসমূহ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু করেছেন। শুধু তাই নয়, যারা এসব খাল দখল করে দুই পাশে ভবনসহ অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ করেছেন সেগুলো অপসারণ করছেন।
মন্ত্রী জানান, নগরীর সকল খাল রক্ষণাবেক্ষণ ও সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য ইতোমধ্যে মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে দুই মেয়রকে নিয়ে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণে অনেকগুলো সভা করে কর্মপন্থা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ডেঙ্গু মশা নিধনে তাঁর মন্ত্রণালয় থেকে দুই সিটি কর্পোরেশনকে সব ধরনের সহযোগিতা দেয়ায় এ মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, এখন অ্যানোফিলিস ও কিউলেক্স মশা কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। এই মশাগুলো খুব বিপদজনক নয়। তাই আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। আমরা সবাই মিলে এই সমস্যা থেকে নগরবাসীকে পরিত্রাণ দেয়ার জন্য কাজ করে যাচ্ছি।
এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে জনসচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি ঢাকা শহরের খাল-নালা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করতে পারলে এসব মশার অতিষ্ঠ থেকে নগরবাসী অনেকাংশে মুক্তি দেয়া সম্ভব।
জলাবদ্ধতা নিরসনে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন সবাইকে সাথে নিয়ে যেভাবে কাজ করছে, তাতে করে নগরীতে জলাবদ্ধতার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন মন্ত্রী। এসময়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।