মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি ইচ্ছুক দরিদ্র পরিবারের মেধাবী ছাত্র মিজানের পাশে দাঁড়ালেন সুজন

মিজানুর রহমান,লালমনিরহাট প্রতিনিধি ।।
লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়নের দরিদ্র পরিবারের সন্তান মিজান,অর্থকষ্টে মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হতে পারছে না।এমন খবর প্রকাশিত হলে মেধাবী ছাত্র মিজানের পাশে দাঁড়ালেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সুজন।তার পড়াশুনা চালিয়ে যেতে সমাজের বিত্তবানদের প্রতি সহযোগীতা করার আহ্বান জানিয়েছেন সুজন।
বুধবার ০৭এপ্রিল লালমনিরহাট সদর উপজেলার চর কুলাঘাটের দরিদ্র পরিবারের মেধাবী সন্তান মিজানের বাড়ীতে উপস্থিত হয়ে নগত অর্থ সহায়তা তুলে দেন,সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সুজন।দরিদ্র পরিবার এর মেধাবী ছাত্র মিজান মেডিক্যাল কলেজ ভর্তি পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে,অর্থ কষ্টে মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হতে পারছেন না, এমন সংবাদ পরিবেশন হবার পর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সূজন এখানে ছুটে আসেন।দরিদ্র পরিবারের একমাত্র সন্তান মিজানের মায়ের হাতে নগত অর্থ সহায়তা তুলে দেন, এবং মিজানের পড়াশুনা চালিয়ে যেতে সকল প্রকার সহযোগিতার আশ্বাস দেন সুজন।এসময় কুলাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইদ্রিস আলী মাষ্টার সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
লালমনিরহাট সদর উপজেলার কুলাঘাট ইউনিয়ন চর কুলাঘাটের দরিদ্র পরিবারের মেধাবী ছাত্র মিজান,শত অভাব অনটনের মাঝে বরিশাল হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজের ২০২০-২১ ভর্তি পরীক্ষায় মনোনীত হন দারিদ্রতার কষাঘাঁয়ে পিষ্ট মিজান,এমন খবর পেয়ে উচ্ছ্বসিত হবার কথা ছিল মিজানের,অথচ অর্থ কষ্টে চোখে মুখে অন্ধকার দেখছেন। এত ব্যয়বহুল লেখাপড়া সহ মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হবার মত অর্থ মিজানের পরিবারের না থাকার খবর কয়েকটি পত্রিকায় প্রকাশিত হলে,মেধাবী ছাত্র মিজান কে সহযোগীতা করতে ছুটে আসেন সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সুজন,এসময় তিনি সমাজের সম্পদ শালী বিত্তবানদের এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান।
দরিদ্র পরিবারের মেধাবী ছাত্র মিজান,২০১২সালে দিন মজুর বাবা মফিজ উদ্দিন মারা গেলে, মা আট শতক জমির উপর কোন রকম বসত বাড়ী তৈরি করে সেখান তাদের ছয় ভাইকে নিয়ে থাকেন। সন্তানদের কে সঙ্গে করে নিয়ে অতি কষ্টে মানবিক বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে দিন পার করেন।বড় ছেলে এস,এস,সি পর্যন্ত লেখাপড়া করলেও অন্যরা অর্থ কষ্টে সে সুযোগ পাননি।নবম শ্রেণী থেকে বাড়ি বাড়ি টিউশনি পড়ানো,আর দরিদ্র মায়ের দৈনিক মুষ্টি চালের উপর নির্ভর করে লেখা পড়ার খরচ যোগান মেধাবী ছাত্র মিজান।এস,এস,সি পরিক্ষায় গোল্ডেন জিপিএ -৫,এবং লালমনিরহাট সরকারি কলেজ থেকে এইচ,এস,সি তে জিপিএ ৫পেয়েছন
মেধাবী ছাত্র মিজানের মা জোবেদা বেগম বলেন দরিদ্র মানুষের জন্য লেখাপড়া অত্যন্ত কষ্টকর, আমি অনেক কষ্ট করে আমার ছেলেকে এই পর্যন্ত পড়াশুনা করিয়েছি।সে তার মেধায় বরিশাল হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হবার সুযোগ পেয়েছে,আমার পক্ষে সম্ভব নয় তার ডাক্তারি পড়ার খরচ যোগানো।সমাজের সকল বিত্তবানদের অনুরোধ জানাই আমার এতিম সন্তান মিজানের লেখাপড়ার খরচ যোগাতে আপনারা সকলে এগিয়ে আসবেন।এই রিপোর্ট লেখাাকালীন পাটগ্রাম উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রুহুল আমিন বাবুল মেধাবী ছাত্র মিজানের ভর্তি সহযোগীতা করতে চেয়েছেন।
