লালমনিরহাটে স্ত্রীর পরকীয়ার বলি মৃত জলিলের লাশ ১১দিন পর কবর থেকে উঠাল পুলিশ

মিজানুর রহমান,লালমনিরহাট ।।
লালমনিরহাটে স্ত্রীর পরিকীয়ার বলি মৃতঃ জলিলের লাশ কবর থেকে ১১দিন পর উঠাল পুলিশ।ঘাতক স্ত্রী মমিনা বেগম ও কথিত প্রেমিক পল্লী চিকিৎসক গোলামরব্বানী পুলিশের কাছে জলিল হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
রবিবার ০১ লা আগষ্ট সকালে দাফনের ১১দিন পর সাপটানা কবরস্থান থেকে মৃত জলিলের লাশ উত্তোলন করেছে পুলিশ।
ঈদের পরের দিন ২২জুলাই মৃতঃজলিল কে স্ত্রী মমিনা বেগম ও তার কথিত প্রেমিক পল্লী চিকিৎসক গোলাম রব্বানীর সহযোগীতায় প্রথমে ঘুমের ঔষধ খাইয়ে গভীর ঘুমে বিভোর করে,পরে স্ত্রী মমিনা বেগম স্বামী জলিল কে বালিশ চাপা দিয়ে শ্বসরুদ্ধ করে হত্যা করে।পরের দিন সকালে পল্লী চিকিৎসক গোলাম রব্বানীর সহযোগীতায় জলিলের হার্ট এট্যাক হয়ে মৃত্যূ হয়েছে বলে প্রচার করে, দ্রুত দাফন কাফন সম্পন্ন করে।মৃত্যুর তিন দিন পর জলিলের বড় ভাই আঃ রশিদের সাথে মমিনা বেগম কে গ্রামের বাড়ীতে নিতে চাইলে মমিনা বেগম যেতে অস্বীকৃতি জানায় এবং সে গোলাম রব্বানীকে বিবাহ করিবে মর্মে জানালে সকলের মনে সন্দেহ জাগে।
মৃত জলিলের ভাই ২৫জুলাই পুলিশ সুপার বরাবরে একটি অভিযোগ দাখিল করলে পুলিশ ছায়া তদন্ত করে বিষয়টির সত্যতা পায়।পুলিশ ২৮জুলাই দুপুরে স্ত্রী মমিনা বেগম ও পরকীয়া প্রেমিক গোলাম রব্বানীকে গ্রেফতার করে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে নিয়ে আসে, এএসপি (এ সার্কেল) মারুফা জামালের জিজ্ঞাসাবাদে জলিল হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা আসামীরা স্বীকার করে।পুলিশ আসামীদের ১৬৪ ধারায় জবান বন্দি গ্রহনে ঐদিনই আদালতে প্রেরন করে।
আদালতের আদেশে পুলিশ আজ মৃত জলিলের লাশ উত্তোলন করে। এসময় হাজার হাজার উৎসুক জনতা কবরস্থানে ভীড় করে।
