দুমকিতে অগ্নিকান্ডে ৭টি দোকান ভস্মিভূত ৩০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি

মো.সুমন মৃধাঃ দুমকি (পটুয়াখালী) প্রতিনিধিঃ
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া বোর্ড অফিস বাজার ব্রীজ সংলগ্ন ১৩ নভেম্বর শনিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১২.৩০ মিনিটে এক ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। অগ্নিকান্ডে ৪জন ঘর মালিকের ৭টি দোকান সম্পূর্ন পুড়ে ভস্মিভূত হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী নৈশপ্রহরী আবদুস সত্তার হাওলাদার জানান, তিনি দায়িত্ব পালনরত অবস্থায় প্রথমে অমল দাসের দোকানের ভিতরে আগুন দেখতে পেয়ে ডাকচিৎকার শুনে স্থানীয় জনগন ছুটে এসে ভয়াবহ আগুন নিভানোর চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হওয়ায় পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিসে খবর দেন। পটুয়াখালী ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌছালে ততক্ষনে ৭টি দোকান সম্পূর্ন পুড়ে ছাই হয়ে যায়।
ক্ষতিগ্রস্থ ঘর মালিক হলেন, জাহিদুল ইসলাম (বাবুল মেম্বর), সহিদুল ইসলাম সিকদার, নুরুল ইসলাম চৌকিদার ও বাচ্চু হাওলাদার। দোকানীরা হল মো. সহিদুল ইসলাম সিকদার, আবদুল জলিল, অমল দাস, অতুল পাইক, নাঈম হোসেন আলতাফ চাকলাদার এবং নাছিমা বেগম তাদের কাছে ক্ষয়ক্ষতির কথা জানতে চাইলে তারা বলেন, ৩০ লক্ষাধিক টাকার বেশী ক্ষতি হয়েছে যা বেশীর ভাগই ঋন নেওয়া।
আগুনের সূত্রপাত সম্পর্কে স্টেশন মাস্টার মো. রেজওয়ান’র কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তদন্ত ছাড়া আগুনের সূত্রপাতের বিষয়ে সঠিক ভাবে বলা যাচ্ছে না।
তাৎক্ষনিকভাবে খবর পেয়ে দুমকি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হারুন-অর-রশীদ হাওলাদার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন মাসুদ, উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান এইচ.এম মাসুদ আল-মামুন ও ফরিদা ইয়াসমিন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান আকন সেলিম, সাংগঠিক সম্পাদক আবুল হোসেন, ইউপি চেয়ারম্যান মিজুনুর রহমান সিকদার, আমিনুল ইসলাম সালাম, সৈয়দ গোলাম মর্তুজা, গাজী নজরুল ইসলামসহ বিভিন্ন দলের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপনের ব্যাপারে দুমকি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ উপজেলা পরিষদ এ্যাসোসিয়েশন’র সভাপতি আলহাজ্ব হারুন অর-রশীদ হাওলাদার বলেন, অনতিবিলম্বে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতিষ্ঠিত দুমকি উপজেলায় ফায়ার সার্ভিস স্টেশন স্থাপন করা হবে যাতে স্থানীয় জনসাধারণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।
