লালমনিরহাটে নির্যাতনের স্বীকার কিশোরকে দেখতে হাসপাতালে পুলিশ সুপার ও সুজন চেয়ারম্যান

মিজানুর রহমানঃ
লালমনিরহাটে নির্যাতনের স্বীকার কিশোর চয়ন চন্দ্র (১২)কে দেখতে হাসপাতালে ছুটে গেলেন পুলিশ সুপার ও উপজেলা চেয়ারম্যান সুজন।
শনিবার শিশু চয়ন চন্দ্রকে গাছে বেঁধে নির্যাতন করায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে তীব্র নিন্দার ঝড় উঠে।
রবিবার (১০এপ্রিল ) দুপুর ১২টায় নির্যাতিত শিশুটিকে দেখতে সদর হাসপাতালে ছুটে আসেন, লালমনিরহাট জেলা পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা (বিপিএম, পিপি এম), সদর উপজেলার চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান সুজন,লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহলম।নির্যাতিত শিশু চয়ন চন্দ্রের চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন তারা।এসময় নির্যাতনের শিকার চয়ন চন্দ্রের মাকে সান্তনা দিয়ে পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা বলেন,নির্যাতনের ঘটনায় জড়িত সকল দোষীদের বিচারের আওতায় আনতে পুলিশ ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে।
০৯ এপ্রিল শনিবার বিকেলে লালমনিরহাট সদর উপজেলার ০৫ নং হারাটি ইউনিয়নের হীরামানিক গ্রামে সুপারি চুরির অভিযোগে, কিশোর চয়ন চন্দ্র (১২) কে গাছে বেঁধে নির্যাতন করার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়।এতে তীব্র নিন্দার ঝড় উঠে, সকল গণমাধ্যম কর্মী বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নিউজ করেন।
লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহলম জানান,কিশোর নির্যাতনের ঘটনা অবগত হয়ে জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশে, ঘটনার সাথে জড়িত আসামী দীলিপ চন্দ্র (৩৫) কে রাতেই গ্রেফতার করে পুলিশ, জড়িত অন্যান্য আসামীর বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
