দুমকিতে ইউনিয়ন বিএনপি’র কমিটি থেকে পদত্যাগের হিড়িক!

মো.সুমন মৃধাঃ দুমকি(পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ
 
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র নুতন কমিটিতে জ্যেষ্ঠ নেতাদের মূল্যায়ন না করা সহ নানা কারনে পদত্যাগ করেছেন পাঁচ নেতা।
শনিবার (৭মে) বিকেলে  মুরাদিয়া ইউনিয়ন  বিএনপির কমিটির সহ-সভাপতি সৈয়দ মাহাতাব উদ্দিন, মোঃ হুমায়ুন কবির হাওলাদার,  সদস্য আবদুস সাত্তার হাওলাদার, সৈয়দ আসাদুজ্জামান (জুয়েল), মোঃ মাসুম আকন পদত্যাগ করেন। তারা সকলেই মুরাদিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি / সাধারণ সম্পাদকের নিকট পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন।
পদত্যাগের কারণ  জানতে চাইলে সৈয়দ মাহাতাব উদ্দিন ও মোঃ হুমায়ুন কবির মুঠোফোন বলেন, ২০০১ সালে যখন বিএনপি ক্ষমতায় ছিল তখন বর্তামান সভাপতি তরিকুল ইসলাম (তারেক) মিথ্যা মামলা দিয়ে আমাদেরকে হয়রানি করেছেন। এছাড়াও ত্যাগীদের মূল্যায়ন না করে অর্থের বিনিময় এই কমিটি দেয়া হয়েছে। তাই কমিটির অবকাঠামোতে স্বপদে বহাল থেকে সাংগঠনিক কার্যক্রম করা কোনক্রমেই সম্ভব নয়। তাই আমার পদ থেকে পদত্যাগ করলাম।
পদত্যাগকৃত  সদস্য মো. মাসুম আকন (মাস্টার) বলেন, আমি আগে দল করলেও এখন আর আমি কোন দলের সাথে সম্পৃক্ত নই। আমাকে না জানিয়ে কমিটিতে নাম রাখা হয়েছে। তাই আমি পদত্যাগ করেছি।
পাঁচ নেতার পদত্যাগের বিষয়ে জানতে চাইলে মুরাদিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি তরিকুল ইসলাম ( তারেক)  বলেন,  আমরা এখনো পদত্যাগপত্র হাতে পাইনি। লোকের মুখে শুনি তারা পদত্যাগ করেছেন। আর আমার বিষয়ে যে অভিযোগগুলি করেছে সেগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক মোঃ খলিলুর রহমান বলেন, নিয়ম অনুযায়ী তারা পদত্যাগ পত্র আমাদের কাছে জমা দিবেন। তারা আমাদের কাছে কোনো পদত্যাগপত্র জমা দেন নি। আর তারা যেসব অভিযোগ এনেছেন সেগুলোর যদি উপযুক্ত প্রমাণ দিতে পারে তবে আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
উল্লেখ্য, গত ১২ এপ্রিল মুরাদিয়া ইউনিয়ন বিএনপি’র ৭১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি অনুমোদন দেয় উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক ও যুগ্ম আহবায়ক।
ইউনিয়ন বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীর অভিযোগ মাইম্যান ও ব্যাক্তিগত এজেন্ডা বাস্তবায়ন সহ স্থানীয় পর্যায়ে অনেক নেতা কর্মীকে অনুপস্থিত রেখে ও অনেক সিনিয়র নেতা কর্মীকে কমিটিতে অবমূল্যায়ন করে এ কমিটি করা হয়েছে।